প্রচ্ছদ » বাংলাদেশ » টিকিট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপ

টিকিট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপ

ইনিশিয়েটর ডেস্কঃ রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘কালোবাজারি রোধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যদি রেলের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারি কালোবাজারির সাথে সম্পৃক্ত হয়, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
মন্ত্রী আজ সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঈদুল আযহার অগ্রীম টিকেট বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।


তিনি বলেন, এবারের ঈদে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না। শিডিউল বিপর্যয় রোধে রেলওয়ের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী সজাগ রয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, ঈদের আগে ৩ দিন এবং ঈদের পরে ৭ দিন স্পেশাল ট্রেন সার্ভিস পরিচালিত হবে।রেলওয়ে সব সময় যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সীমিত ক্ষমতা দিয়ে সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে থাকে। যাত্রী পরিবহনে কোন সংকট থাকবে না। বর্তমানে ৮৮৬টি যাত্রীবাহী কোচ সাথে আরো ১৩৮টি কোচ যোগ হয়েছে। ১৯৯ ইঞ্জিনের সঙ্গে আরো ২২৪টি ইঞ্জিন যুক্ত করা হচ্ছে। আগামী বছর ঈদুল ফিতরের আগেই আরো ২৭০ টি কোচ ট্রেনের বহরের যুক্ত হবে ঈদে উপলক্ষে দৈনিক আড়াই লাখ যাত্রী পরিবহন করা হবে। অতিরিক্ত ট্রেনের মাধ্যমে যাত্রী পরিবহণ করা হবে। রেলের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। আজ বিক্রি হচ্ছে ২০ সেপ্টেম্বরের টিকেট। অগ্রিম টিকেট বিক্রি হবে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি হবে। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ চারটি টিকেট কিনতে পারবেন। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১৬ সেপ্টেম্বর ২১ সেপ্টেম্বরের, ১৭ সেপ্টেম্বর ২২ সেপ্টেম্বরের, ১৮ সেপ্টেম্বর ২৩ সেপ্টেম্বরের ও ১৯ সেপ্টেম্বর ২৪ সেপ্টেম্বরের টিকেট দেয়া হবে। ঢাকায় কমলাপুর ও চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি হবে। ঈদের পর ফিরতি টিকেট ২৩, ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর ২৭, ২৮, ২৯, ৩০ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবরের টিকেট পাওয়া যাবে। রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিরহাট স্টেশন থেকে ঈদ পরবর্তী টিকেট বিক্রি করা হবে।
পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী যাত্রীদের সাথে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। এ সময় তিনি যাত্রীদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও বাংলাদেশ রেলওয়ে নিরাপত্তা বহিনীর কর্মকর্তাদের সাথেও কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফিরোজ মো. সালাহ উদ্দীন, রেলওয়ের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ও এডিজি (আরএস) মো. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

>
বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।