প্রচ্ছদ » সাইন্স ভিউ » বিজ্ঞান ফিচার » আইনস্টাইনের ১০০ বছর আগের তত্ব প্রমাণিত

আইনস্টাইনের ১০০ বছর আগের তত্ব প্রমাণিত

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্কঃ আমরা জানি, মহাবিশ্বের একটি বস্তু আরেকটি বস্তুকে কেন্দ্র করে ঘোরে। এর কারণ হলো মহাকর্ষ।অর্থাৎ মহাবিশ্বের একটি বস্তু আরেকটি বস্তুকে আকর্ষণ করে-এ কারণেই একটি বস্তু আরেকটি বস্তুকে কেন্দ্র করে ঘোরে। এই মহাকর্ষ তত্ত্ব দেন বিজ্ঞানী নিউটন। কিন্তু তিনি জানতেন না কী করে এরা একে অন্যকে ঘিরে ঘোরে।

science-ind

প্রায় একশ বছর আগে আইনস্টাইন বলেন, মহাকর্ষ কোন আকর্ষণ নয়, বরং এটি স্হান, কাল চাদরের মধ্য বক্রতার প্রভাব।

অর্থাৎ আইনস্টাইন বলেছিলেন, মহাকাশে কোনো বস্তু (যেমনঃ গ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি) থাকলে সেখানে সেই বস্তুর ভরে বক্রতার সৃষ্টি হয়। আর এই বক্রতা বা বাঁকের মধ্যে যারা আসবে, তারা সেখানে আটকে যাবে। আর এই বক্রতায় কম ভরের বস্তুগুলো বেশি ভরের বস্তুগুলোকে ঘিরে ঘোরা শুরু করবে। আইস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব বলে, এটিই মহাকর্ষ । তো আইনস্টাইন আরও বলেন, যখন কোনো বিশাল বস্তু আরেকটি বিশাল বস্তুর কাছে আসে এবং এর একটি আরেকটির বক্রতার মধ্যে আটকে যায়, তখন তাদের ত্বরণ গতিবৃদ্ধির হার বেড়ে যায়। তারা একজন আরেকজনকে ঘিরে ঘুরে এবং ত্বরণ বাড়তে থাকে। আর সৃষ্টি হয় এক ঘূর্ণির। এই ঘূর্ণি আলোর গতিতে ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। একেই বলে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ।

N7LHceTF3g2l

তবে এতদিন মহাকর্ষীয় তরঙ্গ যে সত্যি তা প্রমাণ করা যায়নি কিন্তু ২০১৫ সালে পাওয়া যায় মহাকর্ষীয় তরঙ্গ।

অতি সংবেদনশীল এক যন্ত্রের সাহায্যে এটি সনাক্ত করা হয় এবং নিশ্চিত করা হয় যে এটিই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ। আর সেই সাথে অবসান হয় ১০০ বছরের প্রতিক্ষার।গত ১১ ফেব্রুয়ারি একটি বিজ্ঞানবিষয়ক গবেষণা প্রবন্ধে এটি প্রকাশিত হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, মহাকর্ষকে ব্যবহার করতে পারতে অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।হয়তো পারবো আলোকবর্ষ পরিভ্রমণ বা সময় পরিভ্রমণ করতে!

(সূত্র:ইন্টারনেট)

>
বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।