প্রচ্ছদ » বাংলাদেশ » দূর্গা পূজায় সরকারী অনুদান বাড়ানোর অনুরোধ

দূর্গা পূজায় সরকারী অনুদান বাড়ানোর অনুরোধ

 শাকিলুর রহমান (১৪), মাগুরা

14483427_1648290535481232_742301513_nশারদীয় দুর্গোৎসব কে সামনে রেখে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এখন প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে প্রতিমা শিল্পীরা। প্রতিমা তৈরিতে চলেছে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কাজ। হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা্র বাকি আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ। এখন শুধু বাকি রয়েছে প্রতিমায় রং তুলির কাজ।

পূজায় অর্থায়ন নিয়ে রয়েছে পূজা সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। তাদের মতে পুজার জন্য তাদের যা বরাদ্দ দেয়া হয় খরচ তার চেয়ে কয়েকগুন বেশি। এ বিষয়ে সোনাপুর গ্রামের শিলা রানী বাংলা ইনিশিয়েটরকে জানান, ‘ প্রতিটা মন্ডপের প্রতিমা অনুযায়ি সর্ব নিম্ন ৫০ টাকা লাগে। প্রতিমা কারিগরকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া লাগে। ঠাকুরকে ১০হাজার টাকা দেওয়া লাগে। আর ঠাকিকে ৫ হাজার টাকা দেওয়া লাগে। দুর্গাপূজার জন্য প্রদীপ বাতি, ধুপতি, মাটির হাড়িসহ পূজার অন্যান্য আনুসঙ্গিক উপকরণ জন্য অনেক খরচ হয়। এর আগের বার সরকার থেকে ৭ হাজার টাকা পেয়েছিলাম। আমার আগের বার অনেক টাকা খরচ হয়ে ছিল।’

দূর্গাপূজায় সরকারী অনুদান বৃদ্ধির অনুরোধ করে সোনাপুর গ্রামের বিশ্ব দেব কুমাের বাংলা ইনিশিয়েটরকে জানান, আমার বাড়ি চারবার দুর্গাপূজার মন্দিরে প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে । প্রতিবার আমার নিজের টাকা দিয়ে প্রতিমা তৈরি করি। তিনি আরো বলেন, সরকার কিছু টাকা দেয় তা দিয়ে হয় না। দুর্গাপূজার মন্দিরে প্রতিমা তৈরি ও অনুষ্ঠানে করতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাগে। তাই সরকারকে অনুরোধ করব এ দিকে অনুদান বাড়ানোর জন্য।’

অন্যান্য বারের চেয়ে এবার প্রতিমা তৈরির উপকরনের দাম একটু বেশি উল্লেখ করে  প্রতিমা শিল্পী মেঘা পাল  জানান, আমি অনেক দিন ধরে প্রতিমা তৈরি করে আসছি । একটি প্রতিমা তৈরি করে ১০ হাজার টাকা পাই। আমার বাড়ি মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার কুলিপাড়া গ্রামে।  টাকার জন্য দূরে এসে কাজ করি। সারা বছর বিভিন্ন প্রতিমা তৈরি করলেও মূলত দুর্গাপূজার সময় আমার কাজের চাপ বেড়ে যায়। একটু কাজ শেষ করে এবার নতুন প্রতিমা কাজ করতে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়া লাগে আমার । প্রতিমা তৈরি করে রেখে চলে যাই আবার কিছু দিন পর এসে প্রতিমায় রং তুলির কাজ করি। দুর্গাপূজ এলে অনেক উপার্জনও বাড়ে যায়। তবে এবার প্রতিমা উপকরনের দাম একটু বেশি।’

>
বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।