প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » টার্গেটের কাছে হেরে গেলো টাইগাররা

টার্গেটের কাছে হেরে গেলো টাইগাররা

প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬৩:১৫:১৯ অপরাহ্ন

[pfai pfaic=”fa fa-user fa-spin ” pfaicolr=”” ] নুহিয়াতুল ইসলাম লাবিব, বাংলা ইনিশিয়েটর, ঢাকা

ক্রাইস্টচার্চে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধের বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচেই ৭৭ রানের বড় হারের মুখ দেখতে হয় টাইগারদের। টস জিতে ব্যটিং স্বর্গে যেন সবই ছিল কিউইদের অনুকূলে। তাই অন্যাসেই যেন ৩৪২ রানের বিশাল টার্গেট ছুড়ে দেয় টাইগারদের। আর এই এভারেস্ট সমান টার্গেটই বাংলাদেশকে একাই হারিয়ে দেয়।

ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভার করতে দলীয় ষষ্ঠ ওভারে দীর্ঘ ছয় মাস ইনজুরির কারণে মাঠের বাহিরে থাকা কাটার মাস্টার ফিজের প্রথম বলেই আউট মার্টিন গাপটিল । মুস্তাফিজের স্লোয়ার বুঝতে ব্যর্থ হওয়ায় সৌম্য সরকারের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় এই বামহাতি ব্যাটসম্যানকে। মাত্র পনেরো রানেই গাপটিলকে ড্রেসিং রুমে ফেরত পাঠাতে পেরে কিঞ্চিত চিন্তামুক্ত হয়েছিল বটে টাইগাররা । আর হওয়াটাই বেশ স্বাভাবিক। কারণ গাপটিল ক্রিজে টিকে থাকলে কতোটা বিধ্বংসী হতে পারে তা পুরো বিশ্ব জানে। তবে গাপটিল আউট হলেই যে কিউইদের বড় স্কোর হবে না তা কে বলল । অপর প্রান্তে যে এখনো দাঁড়িয়ে ওপেনার টম ল্যাথাম।

বাংলাদেশের জন্য এই নামটাই ধীরে ধীরে বিস্ময়ের নামে পরিনত হয়েছে। উইলিয়ামসন, নেইল ব্রুনো, জেমস নিশাম যখন হাটি হাটি পা করে ড্রেসিং রুমে হেঁটে যাচ্ছিল তখনো অপর প্রান্তে একাই হাল ধরেছিল ল্যাথাম। ২৯ তম ওভারের চতুর্থ বলে জেমস নিশাম আউট হয়ে গেলে দলীয় স্কোর গিয়ে দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৫৮। এরপর টম ল্যাথামকে সঙ্গ দিতে মাঠে নামেন কলিন মার্নো। এরপর দলকে টেনে তুলতে এই দুজনই লড়ে গিয়েছে। কলিন মার্নোর ৬১ বলে ৮৭ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৪ টি চার ও ৩ টি ছয়ের মারে।আর অন্যদিকে টম ল্যাথামের ১৩৭ রানের ইনিংসটি কিউইদের ৩৪১ রান সংগ্রহ করতে সহায়তা করে। ৩৪১ রান সংগ্রহ করতে তাদের হারাতে হয়েছে সাতটি উইকেট যার তিনটি উইকেটই সাকিব আল হাসানের দখলে । তাসকিন ও মুস্তাফিজ দুটি দুটি করে চারটি উইকেট নিজেদের ঝুলিতে পুড়ে নেয়।

৩৪২ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে নিজেদের ঠিক ভাবে মেলে ধরতে ব্যার্থ সৌম্য-ইমরুলরা। দলীয় ৩৪ রানে প্রথম উইকেটের পতন টাইগারদের। তাই ১৬ রানেই ফিরে যেতে হয় ইমরুল কায়েসকে। এরপর প্রায় সাথে সাথেই ফিরে যায় সৌম্য(১) আর মাহমুদুল্লাহও(০)। দুজনই যেন নিজেদের উইকেট অতি যত্ন করে স্বাগতিকদের বিলিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তামিমের সাথে নতুন করে পার্টনারশিপ গড়তে নতুন ব্যাটস্ম্যান হিসেবে সাকিব এলেও বেশিদূর যেতে পারে নি দুজন। দলীয় রান যখন ৮১ তখনই তামিম ক্যাচ আউট হয়ে ড্রেসিং রুমে ফিরে যায়। তামিম ফিরে যাবার পর সাকিব আর মুশফিক মিলে বাংলাদেশকে কিছুটা জয়ের স্বপ্ন দেখালেও সেই রথযাত্রাও থেমে যায় সাকিবের ব্যক্তিগত ৫৯ রানে আউট হয়ে যাবার পর। আর সেই সাথে বাংলাদেশের জয়ের প্রদীপ আবারো নিভে যায়।

শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস গিয়ে থামে ২৬৪ রানে। তবে এই রানের পেছনে অবদান আছে মুশফিক-মোসাদ্দেকেরও।মোসাদ্দেক ৫০ রানে অপরাজিত থাকলেও মুশফিক আউট হয়ে যায় ৪২ রানেই। উইকেটের এই আসা যাওয়াই বাংলাদেশকে ৭৭ রানের বড় ব্যাবধানে হারিয়ে দেয়।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।