প্রচ্ছদ » সাইন্স ভিউ » জানা-অজানা » ব্ল্যাক টুয়েসডে বনাম ব্ল্যাক ফ্রাইডে

ব্ল্যাক টুয়েসডে বনাম ব্ল্যাক ফ্রাইডে

 রামিসা রাফিকা | বাংলা ইনিশিয়েটর ঢাকা

মনে পরে নবিতার মা যখন দৌড়িয়ে শপিং এ যায় কিংবা নবিতা ডোরেমনকে কম মূল্যে ডোরা কেকের লোভ দেখিয়ে গ্যাজেট ছিনিয়ে নেয়?

আমাদের মা দের ই তো দেখা যায় যেখানে জিনিস খুব কম মূল্যে পাওয়া যায় সেখানেই তাদের ভিড় বেশি । ব্যবসায়ীরা  যখন স্বল্প মূল্যে পণ্য বাজারে ছাড়ে সেখানে ভীড় বেশি হয়, আর এই জন্যেই একই রকম পন্যের জন্য কেও যায় বসুন্ধরা কিংবা কেও নিউ মার্কেট । আমাদের দেশে এটা খুব স্বাভাবিক নিয়মে চললেও যুক্তরাষ্ট্রে তা ব্ল্যাক টুয়েসডে নামে পরিচিত । ব্ল্যাক ফ্রাইডে কিংবা ব্ল্যাক টুয়েসডে নাম টা শুনতে একটু ভয়ানক লাগে তাইতো?  কিন্তু না, ব্ল্যাক ফ্রাইডে ভয়ানক হলেও ব্ল্যাক টুএসডে হচ্ছে ব্যবসায়ী এবং ভোক্তার খুশি ভাগাবাগির দিন । তুলনা করা হয় এটা অনেকটা হালখাতার মত ।

এবার তাহলে শুনি কি এই ব্ল্যাক ফ্রাইডে এবং ব্ল্যাক টুয়েসডে । এটা প্রায় ১৯৩০ এর দশক, ১৯২৯ সালের ২৯ এ অক্টোবর, যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজারে হথাত করে ধস নেমে যায়, এতে করে প্রায় ৯০০০ ব্যাংক দেওলিয়া হয়ে যায়, বেকারত্তের হার ৩.২% থেকে বেরে দাড়ায় ২৫% , এ অবস্থায় আর্থিক ব্যাবস্থাপকরা এগিয়ে আসলেও পরিস্থিতি এত ভয়াবহ ছিল যে তারা নিজেরাও হিমসিম খেয়ে যাচ্ছিলো । একে বলা হয় ব্ল্যাক টুয়েসডে । ১৯৩৯ সালের বিশ্বযুদ্ধ, ১৯৫০ দশকে মূলধন বাজেটিং এর পরিবর্তন এবং ১৯৬০ এ আধুনিক অর্থায়নের যাত্রা থেকেই ব্যবসায়ীরা সফলতার মুখ দেখতে থাকে ।

১৯৭৩ সাথে ফিশার ব্ল্যাক “Option Pricing Theory” নামের একটি মুলায়্যণ মডেল উদ্ভাবন করেন যা ব্যবসায়ীদের আধুনিক ব্যবসার অগ্রযাত্রাকে আরো ফলপ্রসূ করা হয়, এবং তার উদ্ভাবনে তাকে ১৯৯৭ সালের ২৫ এ নভেম্বার নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়, সেই থেকে তার নামানুসারে প্রত্যেক ২৫ এ নভেম্বের যুক্তরাষ্ট্রে ব্ল্যাক ফ্রাইডে পালন করা হচ্ছে । যুক্তরাষ্ট্রে একে বলা হয় “Thanks giving Day”, এ দিন অন্যান্য দিনের থেকে ব্যবসায়ীক পণ্য কম মূল্যে বিক্রয় করা হয় ।

>
বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।