প্রচ্ছদ » অনিয়ম » লোকাল হিসেবে চললেও ভাড়া নেয়া হচ্ছে পুরোনো সিটিং সার্ভিস হিসেবেই

লোকাল হিসেবে চললেও ভাড়া নেয়া হচ্ছে পুরোনো সিটিং সার্ভিস হিসেবেই

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০১৭৩:৩৪:৫১ অপরাহ্ন

[pfai pfaic=”fa fa-user fa-spin ” pfaicolr=”” ]  সাব্বির রায়হান অপি | বাংলা ইনিশিয়েটর

গত ৪ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ১৫ এপ্রিলের পর থেকে সকল সিটিং সার্ভিসগুলো বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ।

নতুন আইন অনুযায়ী প্রতিটি স্টপিজে বাস থামবে এবং যাত্রী তোলা হবে সিটিং সার্ভিস বলে কিছু থাকবে না। বিআরটিএ-র পক্ষ হতে নির্ধারিত ভাড়া নেয়া হবে। কিন্তু গত ৪ দিনে দাড়ানো যাত্রী নেয়া হলেও ভাড়া নেয়া হচ্ছে পুরোনো সিটিং সার্ভিস হিসেবে। এ নিয়ে ব্যাপক তর্কাতর্কি ও মারামারিও হচ্ছে পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের মধ্যে।

পরিবহনগুলো আইন ঠিকভাবে মেনে চলছে কিনা তা তদারকি করার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালায়। অভিযানে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির নেতা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ছিল। পরবর্তি ঘোষণার আগে পর্যন্ত সপ্তাহে তিন দিন চলবে এ অভিযান।

তবে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালানোর পরেও দমন করা যাচ্ছে না অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার বিষয়টি। আমি নিজেও আজ এমন পরিস্থিতির শিকার। মতিঝিল থেকে শাহবাগ যেখানে ভাড়া হবার কথা ৭ টাকা সেখানে “নিউ ভিশন” নামের পরিবহনে নেয়া হচ্ছে ১০ টাকা। ছাত্রদের জন্য হাফ ভাড়া সে হিসাবে নেয়ার কথা ৪ টাকা। বাকি টাকা ফেরত চাইলে বলে এই পরিবহনে কখনো ছাত্র ভাড়া নেওয়া হয় না। “এতোদিন সিটিং সার্ভিস ছিল তাই ছাত্র ভাড়া নেয়া হতো না। কিন্তু এখন সব লোকাল সার্ভিস হয়ে যাওয়ায় ছাত্র ভাড়া নিতে হবে” এই কথা বোঝাতে গিয়েও কোনো লাভ হয়। তাই এখন অন্য সবকিছুর মত ভাড়ার ব্যাপারটাও নিয়ন্ত্রনের অপেক্ষায়।

অনেকের নতুন আইনে সুবিধার চেয়ে সমস্যা বেশি হচ্ছে। একজন মহিলা চাকুরীজিবী জানান তিনি প্রতি দিন ফার্মগেট থেকে মতিঝিল যাতায়াত করেন। তার মতে “সিটিং সার্ভিসে ভাড়া একটু বেশি নেয়া হলেও সাচ্ছন্দে যাতায়াত করা যেত। এখন এভাবে দাড়িয়ে যেতে, পুরুষদের ধাক্কাধাক্কি করে যেতে হয়। সিট তো পাওয়া যায়ই না তার উপর পুরুষদের ভিরে দাড়িয়ে যাবারও উপায় নেই। শুধু আমার মত মহিলারাই নয়, যারা একটু অসুস্থ বা প্রতিবন্ধি তাদের জন্যও নতুন আইন অনেক সমস্যার জন্ম দিয়েছে।”

মহিলাদের জন্য যে ১৫ টি বিআরটিসি বাস দেয়া হয়েছে তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন এই মহিলা চাকুরীজিবী। অতি দ্রুত সরকার এ ভোগান্তির সমাধান করবে বলে আশা করছেন এই মহিলা।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।