প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » শুভ জন্মদিন মুশি

শুভ জন্মদিন মুশি

শাফিন রাহমান, বাংলা ইনিশিয়েটর

ক্রিকেটপ্রেমিক অথচ মুশফিকুর রহিমকে চিনেন না এ এক হাস্যকর কথাই বটে। কেননে জাতীয় দলে প্রবেশের পর থেকেই দেশের জন্য নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে গড়েছেন নানা রেকর্ড । তাই তো নামের পাশে মিস্টার ডিপেন্ডেবল শব্দটি পাকাপোক্তভাবে লেগে আছে ২৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের। আজ এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যানের ২৯ তম জন্মবার্ষিকী। জন্মদিনে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা  ও অভিনন্দন।

৯ মে  কারন ১৯৮৮ সালে বগুড়া শহরে  জন্মলাভ করেন বাংলাদেশের বর্তমান টেস্ট ক্রিকেটের অধিনায়ক মুশফিকুর রাহিম। ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে। তাই তো ২০০৫ সালেই ১৬ বছর বয়সেই টেস্ট ক্রিকেটে নিজের অভিষেকটিও হয়ে যায় তাঁর ।  ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ও উইকেট কিপার প্রথম থেকেই বাংলাদেশের মানুষের মনে জায়গা করে নেয়।

২০০৬ অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্বটা তার উপরেই চলে আসে । সাকিব-তামিমদের সাথে মিলে দলকে তুললেন কোয়ার্টার ফাইনালে।তবে ফাইনাল পর্যন্ত আর টেনে তুলতে পারেনি মুশির দল।অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভালো করায় বিশ্বকাপ শেষেই ডাক পেলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতেও। হারারেতে জীবনের প্রথম অর্ধশতক হাঁকানো মুশফিকুর রহীম ডাক পেয়ে যান ২০০৭ এর বিশ্বকাপের দলেও। খালেদ মাসুদের বদলে মুশইকেই দলে ডেকে নেয় ক্রিকেট বোর্ড  কারণ নির্বাচকদের চোখের তার ব্যাটিংটা বিশেষ নজর কেড়েছিলো। আবারও ডাক পান ২০০৭ এর জুলাইয়ের শ্রীলংকার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে। দলে সুযোগ পেয়েই দেখালেন চমক। আশরাফুলের সাথে গড়লেন শষ্ঠ উইকেটে রেকর্ড ১৯১ রানের জুটি। এরপরের গল্পটা শুধুই তার সাফল্যের সাথে পরিশ্রম আর এগিয়ে যাওয়ার গল্প।কীভাবে কঠোর পরিশ্রম একটা মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে তার জ্বলন্ত উদাহরণ যেন মুশফিকুর রহীম। করলেন ভারতের বিপক্ষে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরী। ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে পেলেন জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব। দলকে নিয়ে গেলেন এশিয়া কাপের ফাইনালে, জিতলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ, নিউজিল্যান্ড সিরিজ। শ্রীলংকার মাটিতে করলেন ২০০ রান। ঘরোয়া লীগ বলেন কিংবা জাতীয় দল দুই জায়গাতেই সমানভাবে পারফর্ম করে যেতে লাগলেন।

কে ভেবে ছিলো ৫ ফুট ৩ ইঞ্চির এক ছেলে এক সময় বাংলাদেশের গর্বের কারন হয়ে উঠবে। তার জন্মদিনে ইনিশিয়েটরের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

>