প্রচ্ছদ » Uncategorized » বাংলাদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌছেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’

বাংলাদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌছেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’

প্রকাশ : ৩০ মে ২০১৭৯:১৪:০০ পূর্বাহ্ন

[pfai pfaic=”fa fa-user fa-spin ” pfaicolr=”” ]সাব্বির রায়হান অপি | বাংলা ইনিশিয়েটর

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করা হয়েছে ‘মোরা’। মঙ্গলবার সকালে এটি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করতে পারে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানালেও ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার গতির বাতাসের শক্তি নিয়ে বাংলাদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরা।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজার উপকূলে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং পায়রা ও মংলা সমুদ্রবন্দরে ৮ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহা বিপদসংকেত এবং ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ৮ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

ঘূর্ণিঝড় মোরা যখন উপকূল অতিক্রম করবে তখন কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে সোমবার আড়াইটা থেকে সদরঘাট থেকে দূরপাল্লার সব ধরনের নৌযান অর্থাৎ মোট ৩৭টি রুটে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এছাড়া অন্যান্য নৌযান, নৌকা, ট্রলারগুলোকে গভীর পানিতে যেতে নিষেজ্ঞা রয়েছে।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে যা বলা হয়েছে এটি তার চেয়ে কয়েকগুন বেশি ভয়ানক বলে মনে হচ্ছে। যার পরিনতি ১৯৮৫ সালের ঘূর্নিঝড়কেও হার মানাতে পারে বলে ধারনা করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।