প্রচ্ছদ » বাংলাদেশ » বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস আজ

বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস আজ

প্রকাশ : ৩১ মে ২০১৭১০:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন

[pfai pfaic=”fa fa-user fa-spin ” pfaicolr=”” ] সাব্বির রায়হান অপি | বাংলা ইনিশিয়েটর

আজ ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আজ বাংলাদেশও পালিত হচ্ছে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস।

এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো ‘ তামাক উন্নয়নের অন্তরায়’। দেশের ৬৪টি জেলায়ই দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। সব জেলায় জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনদের দিবসটি উদযাপনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ঢাকায় ওসমানী মিলনায়তনে সকাল ১১টায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

১৯৮৭ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সদস্য রাষ্ট্রসমূহ এ দিবসটি চালু করে।জাতিসংঘের প্রায় সব সদস্য রাষ্ট্রই এ দিবসটি পালন করে সাড়া বিশ্বজুড়ে চব্বিশ ঘন্টা সমস্ত প্রকার তামাকজাত দ্রব্য থেকে বিরত থাকা ও যুব সমাজকে এর ক্ষতি সম্পর্কে অবগত করাই এ দিবটির মূল উদ্দেশ্য । প্রতি বছর প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ তামাকজাত দ্রব্য সেবনের ফলে মৃত্যুবরন করে। তাছাড়া প্রায় ৬০০০০০০ অ-ধুমপায়ি মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুকিতে রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, সরকার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বদ্ধপরিকর। তামাকের ব্যবহার হ্রাস করতে পারলে জনস্বাস্থ্য ও জাতীয় অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। জনগণকে তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে পারলে এর ব্যবহার দ্রুত কমে আসবে।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে আশা করেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

এর আগে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক একটি অনুষ্ঠানে বলেন, সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণে বদ্ধপরিকর, কেননা এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে তামাক নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, সারচার্জ ব্যবস্থাপনা নীতি ও জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতি পাস এখন সময়ের দাবি।

নীতি দুটি কেবিনেটে উপস্থাপন করা হলে এগুলো পাস হওয়ার জন্য মন্ত্রীর সর্বাত্মক সমর্থন থাকবে উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজনীয় সবধরনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে । এক্ষেত্রে তার মন্ত্রণালয় থেকে যা করণীয় আছে তা করছেন বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

গবেষনায় দেখা গেছে ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহারের হার নারীদের মধ্যে অনেক বেশি। বাংলাদেশে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সের প্রায় ৭ভাগ (পরিসংখ্যান, ২০১৩) কিশোর-কিশোরী তামাক ব্যবহার করে। এছাড়াও তামাক ব্যবহারজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় ১ লক্ষ ( ২০১৩) মানুষ অকাল মৃত্যু বরণ করে।

জনসচেতনতা তৈরিই দিবসটির মূল উদ্দেশ্য।যুব সমাজে তামাক দ্রব্যের জন্য তামাকের সহজ প্রাপ্যতা, বিনামূল্যে তামাক দিয়ে তার প্রতি আসক্ত তৈরি করা এবং বাবা মায়ের অসচেতনতাকেই অনেকে দূষছেন।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।