প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » বাংলাদেশ নাকি ইংল্যান্ড ?

বাংলাদেশ নাকি ইংল্যান্ড ?

প্রকাশ : ১ জুন ২০১৭১১:৪০:৩৯ পূর্বাহ্ন

[pfai pfaic=”fa fauser fa-spin ” pfaicolr=”” ] মো. মোস্তফা মুশফিক, বাংলা ইনিশিয়েটর

বহুস্বপ্নের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি,র প্রথম ম্যাচে আজ কিছুক্ষনের মাঝেই ইংল্যান্ডের দ্যা ওভাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি ইংল্যান্ড। ২০১৫ সাল থেকে রীতিমতো উড়তে থাকা বাংলাদেশের মতো ইংল্যান্ডেরও ফর্ম এখন দুর্দান্ত। তবে ইংল্যান্ড কে ফেভারিট মানছেন টাইগার অধিনায়ক মাসরাফি বিন মর্তুজা। 

তিনশ রান, এ আর এমনকি ? পরিসংখ্যান বলে শেষ ১২টি ইনিংসে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড তার ১০টিতেই প্রতিপক্ষকে দিয়েছে তিনশ ছাড়ানো লক্ষ্য। তাই তো ৩০০ রান ছোঁয়া এখন ইংলিশদের জন্য রীতিমতো ডাল ভা্তের মতোই হয়ে গেছে, দলে ছড়াছড়ি অলরাউন্ডারদের। ব্যাটিং গভীরতা কখনও গিয়ে পৌঁছে ১১ নম্বরে। ইয়ান মর্গানদের এমন দলকে ‘ফেভারিট’ মেনে নিয়েই স্বাগতিকদের বধের ছক কষছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

গত অক্টোবরে শেষ দেখা হয়েছিলো ইংল্যান্ডের সাথে, তবে সে ইংল্যান্ডকে টাইগাররা দেখেছিল দেশের মাটিতে, নিজেদের মাটিতে বরাবরই ইংলিশদের বাঘ হয়ে ওঠার গল্পটা সবাই জানে, তাই তো এ কড়া প্রতিপক্ষকে সামলে নেবার আগে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় টাইগার ক্যাপ্টেন ম্যাশকে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি টাইগার বলেন,

“ভালো স্মৃতি অবশ্যই আছে। বিশ্বকাপের মতো আসরে ওদের হারিয়েছি। কিন্তু সেটা অনেক আগের ব্যাপার। তবে দুই দলের দিকে তাকালে ইংল্যান্ড অবশ্যই ফেভারিট। ফর্ম ও দুই দলের দিকে তাকালে ইংল্যান্ডই ফেভারিট।”
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এ পর্যন্ত ১৯টি ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথম ১২টিতেই হেরেছে তারা। ২০১০ সালে বিস্ট্রলে ৫ রানে জয়ের পর পাল্টেছে চিত্রটা। শেষ ৭ ম্যাচের চারটিতেই জিতেছে বাংলাদেশ।

দেশের মাটিতে খেলছে ইংল্যান্ড, তার উপর রয়েছে ফাইনাল জেতার তীব্র আকাঙ্ক্ষা, তবে এটাই কি বাড়তি চাপ দিয়ে দিচ্ছে না ইংলিশদের ? উত্তরে ম্যাশ বলেন “কখনও কখনও এটা চাপ হয়। দেশের মাটিতে খেললে প্রত্যাশার চাপ থাকে, বিশেষ করে ইংল্যান্ড সাম্প্রতিক সময়ে যেরকম ক্রিকেট খেলে এসেছে। অবশ্যই তাদের প্রত্যাশা অনেক যে কাপ নেবে, চাপ থাকবেই।”

তবে আশা ছাড়ছেন না ক্যাপ্টেন মাসরাফি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জেতার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “আমি মনে করি আমাদের ভালো সুযোগ আছে। যোগ্যতা বলে আমরা খেলছি এখানে। এখন আমাদের এটা সারা বিশ্বকে দেখানোর সুযোগ যে দেশের বাইরেও প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে পারি। নিজেদের স্কিল দেখানোর দারুণ সুযোগ এটি।”

“আমরা এখনে শুধু খেলার জন্য আসিনি। লোকের কথা বাদ দিলাম, নিজেদের কাছে নিজেদের যে প্রত্যাশা আছে, সবাইকে দেখিয়ে দেওয়া। বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে। হার-জিত অবশ্যই আগে বলতে পারি না। আমার বিশ্বাস আছে, নিজেদের কাছে নিজেদের প্রত্যাশাটা পূরণ করতে পারলে সারা বিশ্ব দেখবে যে আমরা উন্নতি করছি।”

বাংলাদেশের জন্য ২০০৬ সালের পর চ্যাম্পিয়নস ট্রফি অনেক আশার ও সম্ভাবনার একটি জায়গা। আর ওয়ানডেতে এখনো ইংলিশদের জেতা হয়নি এ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি । তাই চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভালো কিছু করবার জন্য মুখিয়ে আছে দু দল ই। তাই সকল সমীকরণের অবসানের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আজ বাংলাদেশ সময় তিনটে ৩০ পর্যন্ত।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।