প্রচ্ছদ » বাংলাদেশ » রাজধানী জুড়ে বাহারি ইফাতারের সমাহার

রাজধানী জুড়ে বাহারি ইফাতারের সমাহার

প্রকাশ : ৪ জুন ২০১৭২:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন

[pfai pfaic=”fa fauser fa-spin ” pfaicolr=”” ] সাব্বির রায়হান অপি, বাংলা ইনিশিয়েটর

রমজানে প্রতিদিন আল্লাহ তা’লার সন্তুষ্টি ও নৈকট্য অর্জনের আশায় রাতে সাহরি খেয়ে রোজা রেখেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থেকে ইফতারিতে মজাদার ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করেন রোজাদারগণ । তাই বাড়িতে যেমন ইফতার তৈরিতে গৃহিনীরা নানা আয়োজনে ব্যস্ত থাকেন তেমনি হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোও ব্যস্ত হয় পড়ে ইফতার বিক্রিতে।

রাজধানীর পুরান ঢাকায় জমে ঐহিত্যবাহী ইফতার বাজার। আর বেইলি রোডে পাওয়া যায় অভিজাত ইফতার। তবে ঢাকার অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট, খাবারের দোকান, ফুটপাত ও সড়কের অলিতে-গলিতে জমে হরেক রকমের ইফতার। রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে ঘুরে দেখা যায়, দুপুরের ২ টার পরেই শুরু হয় ব্যবসায়ীদের ইফতার সাজানোর কাজ।

দুপুর যত বিকেলের দিকে গড়াতে থাকে ততই বাড়তে থাকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমাবেশ। বাড়তে থাকে কোলাহল। জমে ওঠে থরে থরে সাজানো রকমারি ইফতার বিক্রির ধুম। ইফতারের সময় ঘনিয়ে আসতেই বাড়তে থাকে বিক্রেতাদের হাঁক ডাক। নানা বয়সী ক্রেতাকে ঠোঙা ভর্তি করে নিয়ে যেতে দেখা যায় এসব খাবার। ছোলা, পেয়াজু, আলুর চপ, বেগুনী, মুড়ি, কাবাব, জিলাপি, হালিম, বুরিন্ধাসহ নানা স্বাদের ইফতার কিনতে আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং অফিসের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ক্রেতারা এসে ভিড় করেন ইফতারের দোকানগুলোতে। ক্রেতারও খুশি, হাতের নাগালে ক্ষণিকের মধ্যে টাকার বিনিময়ে পেয়ে যাচ্ছেন অনেক রকমের ইফতার। আবার বেশির ভাগ মানুষ কিনছে খুচরা দামে। এদিকে প্রায় প্রতিটি রেস্তোরাঁয় পার্সেলের পাশাপাশি ছিল ইফতার করারও সুব্যবস্থা।

ঐতিহ্য আর আভিজাত্যের সঙ্গে সঙ্গে খাবারের দামেও দোকান-ভেদে ভিন্নতা দেখা গেছে। এদিকে রাজধানীতে ঐতিহ্যবাহী ইফতারির কথা বললে সবার আগে আসে চকবাজারের নাম। এরপর রয়েছে বেইলি রোড, ধানমণ্ডি, গুলশান, বনানীর বিভিন্ন ইফতার বাজার। এছাড়া ফুটপাত থেকে পাঁচ তারকা হোটেল পর্যন্ত সর্বত্রই পাওয়া যায়। হরেক রকম ইফতারের হরেক রকম দাম।আর এটাই স্বাভাবিক। পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ স্থানভেদে বিক্রি হয় ৫ থেকে ২৫ টাকায়। ডিম চপ, ভেজিটেবল রোল, সিংগারা, সমুচা বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। হালিম বিক্রি হচ্ছে ছোট বাটি ১০০থেকে ১৫০ টাকা এবং বড় বাটি ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা। খাসির লেগ রোষ্ট ৩০০থেকে ৫০০ টাকা আকারভেদে। আস্তো মোরগ রোস্ট ৩০০ টাকা। প্রতি কেজি ছোলা ১৩০ থেকে ২০০ টাকা। জিলাপি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি। ত্রেতাদের অনেকেই অভিযোগ করছেন বেশি দাম নিয়ে। তবে বিক্রেতারা বলছে দাম বেশি ইচ্ছে করে নেন না তারা, পন্যের মূল্য বেশি তাই।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।