প্রচ্ছদ » অনিয়ম » গণপরিবহণ গুলোতে উপচে পড়া ভিড়-যাত্রীদের ভোগান্তি

গণপরিবহণ গুলোতে উপচে পড়া ভিড়-যাত্রীদের ভোগান্তি

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০১৭১০:০৮:৫৯ অপরাহ্ন

[pfai pfaic=”fa fa-user fa-spin ” pfaicolr=”” ]  শ্রাবন্তী কামাল | বাংলা ইনিশিয়েটর

কর্মব্যস্তময় ঢাকাতে গণপরিবহণগুলোতে উপচে পড়া ভিড়ে জন জীবন বিপর্যস্ত। গণপরিবহণ গুলোতে ধাক্কাধাক্কি করে ওঠা, উপচে পড়া ভিড় এবং বসার জায়গা না পেয়ে প্রায় ঝুলে ঝুলে যাওয়া- এ যেন এক নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মিরপুর ১০ গোল চত্বরে সারিবদ্ধ হয়ে যাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। নির্দিষ্ট সময়ে বাস না আসায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর বাস আসলেও বাস গুলোতে উপচে পড়া ভিড় থাকে।

মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক এ বিষয়ে বলেন, “১১ নাম্বার থেকে শেওড়াপাড়া যেতে প্রায় ১:৩০ ঘন্টা সময় ব্যয় হয়। ফলে আমার মেয়ে যথাসময়ে ক্লাস করতে পারে না। তাছাড়া বাসে ঠেলাঠেলি করে উঠতে গিয়ে অধিকাংশ সময় আমার ছোট্ট মেয়ে তন্বী পড়ে যায়।”

নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ সর্বস্তরের মানুষের এই বেহাল অবস্থা। ‘এমন আর কতো দিন চলবে?’ – বলেন এক যাত্রী। তাদের একটাই কথা- বাস পাই না, বাস পাই না। ফলে একটি বাস পেলে সেখানে সবাই একসঙ্গে উঠতে চেষ্টা করে ঘটে বিপত্তি।

আরেকজন যাত্রী জানায়, “বাস মালিকের পর্যাপ্ত বাস থাকা সত্বেও সেগুলো ছাড়া হয় না, সে কারণে ১ টি বাস দিয়ে ২ টি বাসের ভাড়া আদায় করে নেওয়া হচ্ছে।” একটি সিটিং বাস সার্ভিসে লোকাল যাত্রী উঠিয়ে সিটিং ভাড়াও নেয়া হচ্ছে, অথচ লোকজন যাচ্ছে দাঁড়িয়ে।

সর্বস্তরের মানুষের একটাই দাবী সিটিং বাস গুলো সিটিং সার্ভিসে চালু থাকলেই যেন সিটিং ভাড়া নেয়া হয়। কোনো লোকাল যাত্রী যেন নেওয়া না হয়। যেসব বাস এখনো ছাড়া হয়নি সেগুলো নির্দিষ্ট সময়ে ছাড়ার উদ্যোগ নিলে হয়তো যাত্রীরা এই বিপর্যস্ত অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে বলে তারা আশাবাদী।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।