প্রচ্ছদ » অনিয়ম » ফুটপাত নাকি শপিং সেন্টার?

ফুটপাত নাকি শপিং সেন্টার?

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০১৭৪:১৫:০৪ অপরাহ্ন

[pfai pfaic=”fa fa-pencil ” pfaicolr=”” ] সৃজা জামান, বাংলা ইনিশিয়েটর

রাজধানীর মিরপুর -২ এর ষাট ফুট রাস্তাটির ফুটপাত ব্যবহার করে অনেকেই। সেখানে যেমন আছে গার্মেন্টস কর্মী, তেমনই আছেন অনান্য চাকরিজীবী। এই রাস্তা দিয়েই মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বালক ও বালিকা শাখার শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে। বেশিরভাগ মানুষই হাঁটাপথে চলাচল করে। তবে হাঁটার জন্য যে ফুটপাত তার অবস্থা খুবই করুণ।

রাস্তাটির কিছু স্থানে দেখা যায় ফুটপাতের অস্তিত্বই নেই-ই! অর্থাৎ পুরোপুরি ষাটফুট নেই। আবার কোনো কোনো স্থানে রয়েছে ষ্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম এর দোকান। তারা তাদের মালপত্র রাখতে ও অনান্য কাজ করতে ব্যবহার করছে ফুটপাত।অনেক চা ও মুদি দোকান তো পুরো ফুটপাতই নিজের করে নিয়েছে।এছাড়া বেশ কয়েক যায়গায় সিটি কর্পোরেশনের ময়লা তো আছেই।

এসব সমস্যার ফলে জনগণকে হাঁটতে হচ্ছে রাস্তায়। যেসব স্থানে ফুটপাতের অস্তিত্ব নেই সেখানে চলতে হচ্ছে ঝুঁকির সাথে। এছাড়া স্থানটি দিয়ে যাতায়াতকারী লেগুনাগুলোর দাপট তো আছেই।

এখানে বেশ কয়েকটি অস্থায়ী রেস্তরাঁও রয়েছে যার সবগুলোই পুরো ফুটপাত জুড়ে। এছাড়া ষাটফুট রাস্তার মাথায় শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সামনে থেকে মিরপুর-১০ পর্যন্ত দেখা যায় অনেকগুলো পোস্টার। যাতে লিখা ‘ফুটপাতে হকার বসা দন্ডনীয়’।তবে তার উপরেই হেলান দিয়ে বসে আছেন হকারেররা। এছাড়া ফুটপাত জুড়ে অস্থায়ী পোশাকের দোকান। লোকজন সেখান থেকে কিনছেও পোশাক। সেখানে এমন অবস্থা যে চলার জন্য রয়েছে মাত্র ১ ফুট জায়গা। ফলে ফুটপাতে ভিড়ের সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে নারীদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।

এ সকল সমস্যা নিয়ে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থী মারজান(ছদ্মনাম) বলে, ‘আমি প্রতিদিন এখান দিয়ে যাতায়াত করি।ফুটপাত না থাকায় আসা-যাওয়া করতে বেশ অসুবিধা হয়’। বেশ কয়েকটি দোকানের মালিক এর সাথে পরিচয় গোপন করে কথা বলে জানা যায় এখান দিয়ে প্রতিদিনই অনেক পুলিশ আসা যাওয়া করে।কখনই কেউ কিছু বলেন না। তাই তাদের দোকান হারানোরও ভয় নেই। নিশ্চিন্তেই তাই রাস্তাকে তারা বানিয়ে চলেছেন ভাসমান শপিং সেন্টার।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।