প্রচ্ছদ » অনিয়ম » মিরপুরের প্রাণকেন্দ্রেই যখন অনিয়ম

মিরপুরের প্রাণকেন্দ্রেই যখন অনিয়ম

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭২:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন

[pfai pfaic=”fa fa-pencil ” pfaicolr=”” ] অহিদা আক্তার ফাবিয়া | বাংলা ইনিশিয়েটর

মিরপুররের প্রাণককেন্দ্র হলো মিরপুর -১০। মিরপুর -১০ এই রয়েছে জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ফায়ার সার্ভিসের অফিস, সিটি কর্পোরেশনের অফিস, বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শপিংমল ইত্যাদি। এত কিছু থাকা সত্ত্বেও এ জায়গাটি যেন প্রাণহীন। কারণ ভাঙা রাস্তা, ফুটপাতে হকারদের ব্যবসা, বাসস্টপ না থাকা সত্ত্বেও বাস দাঁড়িয়ে থাকা যেন এখানকার নিয়মিত দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মিরপুর -১০ নম্বরে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ থাকা থাকলেও গোলচত্ত্বরের আশেপাশের রাস্তার বেহাল দশা। ফুটপাতের আশেপাশের রাস্তার অনেক জায়গারই ভেঙ্গে গেছে যার ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি হয়ে যায়। তাছাড়া অনেক পথচারীইই বেপরোয়াভাবে মিডওয়ে আইল্যান্ডের ছেঁড়া তারকাটা দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে রাস্তা পার হয়। ওভারব্রিজ থাকা সত্ত্বেও তারা এভাবে প্রতিনিয়ত রাস্তা পার হচ্ছে তাদের সময় বাঁচানোর জন্য। এ ব্যাপারে জনগণের মধ্যে গণসচেতনতার অভাব থাকার কারণকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন অনেকে।

মিরপুর -১০ নম্বরের গাড়ির যাওয়া আসা এখন ট্রাফিক পুলিশদের হাতের ইশারাতেই হয়। এটি শুধু দিনের বেলার দৃশ্য নয়, এটি রাতেও দৃশ্য। সরকারের কোটি কোটি টাকার অনুদানকৃত ট্রাফিক সিগনাল বাতির প্রত্যেকটিই বর্তমানে অচল। এর পরিবর্তে ডিজিটাল সিগনাল ও দেখা যায় না। একজন পথচারী বলেন, “রাতের বেলাও ট্রাফিক লাইট জ্বলে না যার কারণে ট্রাফিক পুলিশদের হাতের ইশারাতেই গাড়ি চলে থাকে। এতে সমস্যায় পড়তে হয়”।

মিরপুর -১০ থেকে মিরপুর -১৪ যাওয়ার পথেই একটি সাইনবোর্ডে বড় করে লেখা থাকে, “এখানে বাস দাঁড়ানো সম্পূর্ণ নিষেধ।” কিন্তু এটি দেখা সত্ত্বেও বেপরোয়া বাসচালকরা সাইনবোর্ডের যায়গাতেই বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠা নেওয়া করে যার ফলে প্রায় সময়ই পুরো রাস্তায় জ্যাম লেগে থাকে। একজন যাত্রী বলেন, “বাসগুলো সম্পূর্ণ ভরে গেলেও রাস্তাজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকার ফলে দুপুরে বিশেষ করে অফিস টাইমে তীব্র যানজট লেগেই থাকে”।

আবার এই ১০ নম্বর থেকে একটু সামনে এগোলেই বড় বড় শপিংমলগুলোর সামনে হকারদের বসা নিষিদ্ধ থাকলেও অনেক হকারই সেখানে বসে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। কতৃপক্ষের নিষেধ থাকা সত্ত্বেও অনেক হকার রাতের বেলা ডিম, বাদাম, বাতাসা, জামা-কাপড় বিক্রি করছেন। “দুপুরের সময় ফুটপাতের মধ্য দিয়ে হাঁটা যায় না হকারদের ব্যবসার কারণে” – বলে অভিযোগ করেছেন অনেক পথচারী। হকার উচ্ছেদের কয়েক দিন যেতে না যেতেই আগের মতোই হয়ে যায় অবস্থা। যার কারণে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছে অনেক পথচারী।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।