প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » ফিরলো মুস্তাফিজ, জিতলো রাজশাহী!

ফিরলো মুস্তাফিজ, জিতলো রাজশাহী!

প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০১৭৬:০০:২০ অপরাহ্ন

সাব্বির রায়হান অপি | বাংলা ইনিশিয়েটর

দক্ষিন আফ্রিকা সফরের মাঝেই ইনজুরিতে পরেছিলেন মুস্তাফিজ। এরপর আর মাঠে নামা হয়নি কাঁটার মাস্টারের। ইনজুরি কাঁটিয়ে আজই রাজশাহীর জার্সি পরে মাঠে নেমেছেন মুস্তাফিজ। আর আজই জয়ের ধারায় ফিরেছে রাজশাহী কিংস। টুর্নামেন্ট হোচট খেতে থাকা দলটি হারিয়েছে টুর্নামেন্টের অন্যতম ‘হট ফেভারিট’ দল কুমিল্লা ভিক্টরিয়ানসকে।

ব্যাটিংয়ে নেমে দারুন শুরু করে রাজশাহীর স্মিথ-মমিনুলের উদ্বোধনি জুটি। ৪৩ রানে রাজশাহীকে প্রথম ধাক্কা দেন সাইফুদ্দিন। স্মিথের পর বেশি সময় থাকতে পারেননি মমিনুলও। রানআউটের শিকার হওয়ার আগে ১৩ বলে ২৩ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর জুটি বাঁধেন লুক রাইট ও জাকির হাসান। আল-আমিনের কাছে কট এন্ড বোল্ড হয়ে জাকির ফিরলেও লুক রাইট এক প্রান্ত আগলে রাখছিলেন। ১৫ বলে ২০ রান করে জাকির বিদায় নেয়ার পর বেশি সময় থাকতে পারেননি মুশফিক ও ফ্রাঙ্কলিন। এরপর অধিনায়ক স্যামি তোলেন ছক্কার ঝড়। ১ চারের বিপরিতে ৬ ছক্কা মেরে ১৪ বলে করেছেন ৪৭ রান। ফলে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ১৭৫ রানের দারুন সংগ্রহ পায় পদ্মা পারের দলটি। কুমিল্লার হয়ে সাইফুদ্দিন ৩টি, হাসান আলি ২টি এবং আল-আমিন একটি করে উইকেট শিকার করেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই জোড়া ধাক্কা খায় টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল কুমিল্লা। লিটন দাস না থাকায়, তামিমের সাথে ওপেনিংয়ে নেমে ব্যার্থ পাকিস্তানের ফাখার জামান। প্রথম ওভারেই স্বামির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। ব্যার্থ হয়েছেন ইমরুল কায়েসও। পরের ওভারেই মিরাজের এলবিডব্লিউ ফাঁদে পা দেন তিনি। এরপর দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তামিম-মালিকের জুটিতে স্বস্থি পায় ভিক্টোরিয়ানসরা। ৪/২ থেকে ৯১/২ পর্যন্ত নিয়ে আসেন এই দুই ব্যাটসম্যান। জয়ের জন্য আরেকটু আক্রমনাত্নক হলেই যখন সবটা সহজ সমিকরনের খেলা মনে হচ্ছিল তখনই ডোয়েন স্মিথের বলে কট এন্ড বোল্ডের শিকার হন শোয়েব মালিক। ৫ বাউন্ডারি আর ২ ছয়ে সাঁজানো ২৬ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন এই পাকিস্তানি। এরপর আসে ১৫তম ওভার। ম্যাচের গল্প যেখানে বদলে দেন মোহাম্মদ স্বামি। একওভারেই তামিম, কাপালি ও সাইফুদ্দিনকে ফিরিয়ে কুমিল্লার কোমড় ভেঙ্গে দেন এই পাকিস্তানি। লোকাল বয় তামিমের ব্যাট জ্বলে ওঠায় যে আনন্দ ভাসঁছিল গোঁটা গ্যালারি তা হঠাৎ যেন হারিয়ে গেল। ৪৫ বলে ৬৩ রানে করেছেন ৪ চার ও ৩ ছক্কার সৌজন্যে। সব শেষো হাসান আলি ও জস বাটলারের সামান্য জ্বলে ওঠা ব্যাবধান কমানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারে নি।

তবে অনেকদিন পর কাঁটার মাস্টারকে মাঠে দেখে হয়ত একটু বেশিই খুশি হয়েছেন টাইগার ভক্তরা। শেষ সময়ে হাসান আলি ও মেহেদি হাসানের উইকেট তুলে নিয়ে শেষ কাজটা দ্যা ফিজই করেছেন। ফলে ৩০ রানের জয় নিয়ে পায় রাজশাহী কিংস। মুস্তাফিজে ২ উইকেটের পাশাপাশি স্বামি ৪টি, স্মিথ ২টি এবং মেহেদি হাসান ও ফ্রাঙ্কলিন নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।