প্রচ্ছদ » মুক্তমঞ্চ » কেমন ছাত্র রাজনীতি চাই?

কেমন ছাত্র রাজনীতি চাই?

প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭৯:৪৮:২১ অপরাহ্ন

বিডি রায়হান

বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, শিক্ষা আন্দোলন, ছয় দফা, গণ অভ্যুত্থান কিংবা মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যুদ্ধ পূর্ববর্তী সব ধরণের বড় আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা অত্যধিক এবং অতুলনীয়।

বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সোনালি ইতিহাস ছাত্রদের আন্দোলনের কাছে অসাধারণ ঋণী। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাধীনতার পরে ছাত্ররাজনীতির কোনো স্বচ্ছ এবং গঠনমূলক ধারা গড়ে উঠেনি আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। দলীয় রাজনীতি আর আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো পরিণত হয়েছে বারবার যুদ্ধক্ষেত্রে। এর সাথে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ভর্তি-বাণিজ্য এসব তো আছেই। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের সংঘর্ষে ছাত্রছাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনা সারা পৃথিবীতে বিরল হলেও বাংলাদেশে প্রায় নিত্য নৈমিত্যিক ঘটনা।

স্বাধীনতাযুদ্ধেও ছাত্রসমাজ পালন করেছিল অকুতোভয় ভূমিকা। তবে পাকিস্তান আমলে ছাত্রদের রাজনীতি ও আন্দোলন করার মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয় স্বার্থরক্ষা এবং অধিকার সচেতনতা ছিল। ওই সময় ছাত্র রাজনীতিতে চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়নের দূষণ লক্ষিত হয়নি। সবচেয়ে মেধাবী ছাত্ররাই নেতৃত্বে আসতেন এবং তারা সমাজে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা ও সম্মান পেতেন। ব্যক্তিস্বার্থ বা আর্থিক সুবিধার জন্য কেউ ছাত্র রাজনীতি করতেন না। বহুল পরিচিত চার খলিফা (নূরে আলম সিদ্দিকী, আসম আবদুর রব, শাহজাহান সিরাজ, আবদুল কুদ্দুস মাখন) ঐ সময়ের অন্য সব জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের ছাত্রনেতারাও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার রাজনীতি করতেন। কিন্তু স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে ছাত্র রাজনীতির এ গৌরবোজ্জ্বল ধারা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।

স্বাধীনতার পর রাজনীতিতে যেভাবে স্বার্থপরতা, দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নের দূষণ ছড়িয়ে পড়ে, একইভাবে ছাত্র রাজনীতিও হয়ে পড়ে কলুষিত। যুক্তির পরিবর্তে ছাত্র রাজনীতিতে শক্তি প্রয়োগের চর্চা শুরু হয়।

এমন অস্বাভাবিক, অস্থির, চলমান ছাত্র রাজনীতিতে স্কুল পর্যায়ে দলীয় কমিটি গঠন করা ঠিক কতটুকু গ্রহণযোগ্য? স্বভাবতই পাঠকদের মনে প্রশ্ন জাগবে স্কুলে ছাত্র রাজনীতি কি আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ?

মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী সময়ে আমরা স্বাধীন ছিলাম না, বঞ্চিত ছিলাম অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার থেকে। সময়ের প্রয়োজনেই দেশের জন্যে লড়তে স্কুল পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীরা তখন রাজনীতি সক্রিয় ছিল। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। জাতির পিতার আদর্শে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগকে কি ধরে রাখতে পেরেছে তাদের আদর্শ, ঐতিহ্য, গর্বের ইতিহাসের কথা? এই প্রশ্নের উত্তরে নিজ দলীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেবই বলেন ছাত্রলীগের কিছু কিছু কর্মকান্ডে আমরা লজ্জিত হই। যেখানে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি সুষ্ঠু ও গঠনমূলক কোন সুস্থ পরিবেশ নেই সেখানে স্কুল পর্যায়ের কমিটির অংশগ্রহণ ছাত্রদের জন্যে অভিশাপ বয়ে আনবে।

অবাক করার একটি বিষয় হচ্ছে, ছাত্র শিবির ও ছাত্র ইউনিয়নেও স্কুল পর্যায়ে কমিটি গঠন করে কোমলমতি ছাত্রদেরকে কিশোর বয়সের আনন্দ থেকে দূরীভূত করর বিপথে ডেকে আনছে। এমনকি ছাত্রলীগের স্কুল পর্যায়ের কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্তে ছাত্রদলেরও সমর্থন রয়েছে। স্কুলের ছাত্ররা যেখানে দেশকে জানে না, মুক্তিযুদ্ধের কথা জানে না, বঙ্গবন্ধুকে জানে না তাদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা ছাড়া কিছুই নয়।

ফলস্বরুপ, স্কুল কমিটি গঠন করার ২-৩ দিন যেতে না যেতেই পিরোজপুরে স্কুলের ছাত্রলীগের সভাপতি শিক্ষককে বেধড়ক মারধর করেছে। স্কুল পর্যায়ে কমিটি গুলো ভবিষ্যৎ নেতা তৈরী করবে নাকি অশুভ শক্তি হাতে নিয়ে স্কুল পর্যায়েও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে তার ফল আর কিছুদিন পর উপলব্ধি করা যাবে।

আমাদের বড় দুই দল আদর্শহীন রাজনীতি করে। এই আদর্শহীনতা স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাওয়া মোটেও উচিত নয়। আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে একে অন্যকে গালিগালাজ করা, দোষারোপ করা একটি সহজাত অভ্যাস। একজন শিক্ষার্থী কি এসব শিখবে ছোটবেলাতেই? স্কুলে কমিটি করার অর্থ হলো এসব মূলধারার বা সরকারি দল সমর্থক সংগঠনের শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন ফাঁস করা শিখবে।

যেখান থেকে বেরিয়ে আসবে সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক; যাদের ছোঁয়ায় সমৃদ্ধির উচ্চশিখরে আরোহণ করবে বাংলাদেশ, আজ সেখানে কলমের পরিবর্তে অস্ত্র দেখা যায়। বই-খাতার বদলে হাতে হাতে শোভা পায় মদ-গাঁজা ও ফেন্সিডিলের নীল ছোবল। মেধার লড়াইয়ের পরিবর্তে আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে সর্বশক্তি ব্যয় করতে দেখা যায় বিদ্যাপীঠের বিদ্যার্থীদের। পিতা-মাতার স্বপ্ন খুন হয়ে কফিন হয়ে দরজায় কড়া নাড়তে দেখা যায়। সেখানে কিভাবে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরকে যোগদানে উৎসাহিত করা যায় তা আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে ধরা দেয় না।

পাকিস্তান আমলে এনএসএফ নামে একটি ছাত্রসংগঠন ছিল, প্রথম পর্যায়ে সেটি খুব ভদ্র ছিল, ভাল ছিল, কিন্তু একটা পর্যায়ে আইয়ুব খানের শাসনামল যখন চ্যালেঞ্জের পর্যায়ে চলে গেল, তখন দেখা গেল এনএসএফ হিংস্র হয়ে উঠেছে। তারা নানাভাবে সাধারণ ছাত্রদের উপর, শিক্ষকদের উপর দৌড়াত্ম খাটায়, এমনকি দলীয় শক্তি প্রয়োগ করে। পাকিস্তান আমলে তা ঘটে গেলেও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের শুরু থেকেই ৭২ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ছাত্র রাজনীতির প্রয়োগ ঘটে। এরপর থেকে যেই দলেই ক্ষমতায় এসেছে সেই দলের ছাত্রসংগঠন গুলি নিজেদের পেশিশক্তি ব্যবহার করেছে বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক প্রতিটি ক্ষেত্রে।

ছাত্রলীগের বিশ্বজিৎ হত্যা, সিলেট কলেজ ছাত্রী খাদিজাকে কোপানো, পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্নফাসে জড়িত থাকা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে প্রভাব নিয়ে ক্ষমতা প্রয়োগ ও সংঘর্ষ, নিজ দলীয় নেতাকর্মীকেই হত্যা গুম এখনো চলছে, এমনকি ছাত্রশিবিরের রগ কাটার ইতিহাস ও কারো অজানা নয়। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি এমন অসুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ থাকে তবে স্কুলে কি আদৌ এর প্রভাব বিস্তার হবে না?

আমেরিকার নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হওয়ার পর হিলারী ক্লিনটন একাত্ম হয়ে দেশ নিয়ে কাজ করার আহবান জানায়। জার্মানীর নির্বাচনে চতুর্থবারের মত জয়ী সিডিইউ দলের চ্যান্সেলর আঙ্গেলো মার্কেল অন্যান্য রাজনৈতিক দল এসপিডি, এএফডি, এফডিপি নিয়ে দেশের স্বার্থে কাজ করার ঘোষণা দেন। কিংবা ফ্রান্সের ইম্যানুয়েল ম্যাক্রো, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ী হয়। ব্রেক্সিটে জনগণের ভোটে হেরে যাওয়ায় ডেভিড ক্যামেরুনের পদত্যাগ রাজনীতির জন্যে আশীর্বাদ এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে। যা দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হই, যা দেখলে রাজনীতিকে ভালবাসতে ইচ্ছে করে, রাজনীতিতে যোগদান করে দেশের স্বার্থে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে একজন শের-ই-বাংলা, সোহরাওয়ার্দী কিংবা শেখ মুজিব হতে ইচ্ছে করর। কিন্তু বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থার কথা পাঠকদের অজানা নয়। যা দেখে মনে প্রাণে শুধু ঘৃণার জন্ম নেয়।

এমনকি যেই দেশ ভারতকে আমরা কথায় কথায় কটুক্তি করে আদ্যোপান্ত ধৌত করি, সেই দেশেও কাশ্মীরে চলমান বর্ডার উত্তেজনায় বিজেপি ও কংগ্রেস একাত্ম হয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। অথচ আমরা রোহিঙ্গা অভিবাসীদের নিয়ে চলমান সংকটে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল এখনো একাত্ম হতে পারলাম না, বরং কাদা ছোড়াছুড়ির রাজনীতি চলছে। আর সেই আপনারা স্কুল কমিটি করে স্কুলের ছাত্রদের মাঝে দেশপ্রেম জাগাবেন, ভবিষ্যৎ নেতা তৈরী করবেন, দক্ষ ও সাংগঠনিক রাজনৈতিক সচেতন করে তুলবেন এসব কথা বড়ই বেমানান ও হাস্যকর।

যদি সত্যিই স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের দেশ ও জাতির ইতিহাস নিয়ে জানতে আগ্রহী হোন, তাদের মাঝে ঐক্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করতে চান, দেশ ভবিষ্যতে দক্ষ ও সাংগঠনিক নাগরিক ও জাতীয় নেতৃত্বে গতিশীল করতে চান, অসাম্প্রদায়িক ও জঙ্গি মুক্ত দেশ গড়তে চান তবে গ্রামে গ্রামে, মহল্লায় মহল্লায়, শহরে শহরে স্কুলের শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধ শিক্ষার উপর জোরদার হোন, বাঙালীয়ানা সংস্কৃতির চর্চা করান, জাতির পিতার ইতিহাস ও আদর্শের গড়া স্বপ্ন নিয়ে লিখা বইগুলো বিনামূল্যে বিতরণ করুন।

সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক কথা হচ্ছে, রাজনৈতিক নেতারা সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করুন, যাতে সাধারণ জনগণ ফেসবুকের এবাউটে ” আই হেট পলিটিকস না লিখে আই লাভ পলিটিকস লিখে ” যাতে করে, আমাদের অভিভাবকেরা রাজনীতির নাম শুনলে আতকে না উঠে। আমাদের দেশের সাহসী ছেলেদের কেউ জোর করে যুদ্ধে পাঠায় নি, যুদ্ধ এসেছে ভালবেসে। তবে রাজনীতিতে যোগদান হোক ভালবেসে, জোর করে বা ক্ষমতার আধিপত্যের লোভে নয়।

আমরা এমন ছাত্র রাজনীতি চাই যেখানে অহিংস রাজনীতির চর্চা করা হয়, এমন ছাত্র রাজনীতি চাই যেখানকার নীতিবান রাজনীতিবিদদের দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হতে পারি, এমন ছাত্র রাজনীতি চাই যেই ছাত্র রাজনীতি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া, এমন ছাত্র রাজনীতি চাই যেখানে দেশপ্রেম, মানুষের প্রতি ভালবাসা ও স্বজনপ্রীতি মুক্ত আচরণ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে উঠবে।

একটি অন্যায় আরেকটি অন্যায়ের জন্ম দেয়। একটি হত্যাকাণ্ড আরেকটি হত্যাকাণ্ডের পথ প্রস্তুত করে। একটি অবিচার আরেকটি অবিচার আর আইন হাতে তুলে নেয়ার পরিস্থিতি তৈরি করে। তেমনি রাজনীতিবিদদের একটি ভুল সিদ্ধান্ত আরেকটি কিশোর বয়সী হিংস্র প্রজন্মের জন্ম দিবে।

ছাত্র রাজনীতির প্রয়োজন আছে। তবে, তা কোন দলের লেজুরবৃত্তি করা, টেন্ডার পেতে শক্তি প্রদর্শন করা, চাঁদাবাজি করা টাইপ রাজনীতি নয়। ছাত্ররা তাদের নিজেদের অধিকার আদায়ে, দেশের মানুষের গনতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার রাজনীতি করবে। মানুষকে রাজনীতি বিমুখ করে নয় বরং প্রকৃত দেশপ্রেমিক ও মেধাবীদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করে এর পরিবর্তন আনতে হবে। পরিশেষে বলতে চাই, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের ছেলে সোহেল তাজের মত একজন তরুণ রাজনৈতিক সৎ ও ন্যায় নীতিতে আপোষহীন ব্যক্তিত্ব যখন দলীয় কলুষিত রাজনীতিতে টিকে থাকতে পারে না তখন আমরা তরুণ প্রজন্ম কিভাবে এই দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখবো? কিভাবে ভবিষ্যৎ নেতা হয়ে দেশকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবো? কিভাবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হিংস্র রাজনীতিতে ঠেলে দিবো?

 

***প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ইনিশিয়েটর-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ইনিশিয়েটর কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।