প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » ১০ বছরে যাদের মাথায় উঠেছে “অরেঞ্জ ক্যাপ”

১০ বছরে যাদের মাথায় উঠেছে “অরেঞ্জ ক্যাপ”

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০১৮১০:৪০:১২ অপরাহ্ন

সাব্বির রায়হান অপি | বাংলা ইনিশিয়েটর

২০০৮ সালে প্রথমবারের মত পর্দা উঠেছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঘরোয়া টি-টোয়েন্টির আসর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের। সাড়া বিশ্ব থেকে ছোট ফর্মেটের বড় তারকাদের একসাথে দেখা যায় এই টুর্নামেন্টে। তাই শুরু থেকেই চার-ছক্কার দামামা বাজে আইপিএলে। দর্শকদের আগ্রহের তালিকায় শীর্ষে থাকে এই টুর্নামেন্ট ক্রিকেটকে নিয়ে যায় অন্য মাত্রায়।

প্রতি বছর সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ও সর্বাধিক উইকেট শিকারিকে বিশেষ ভাবে সম্মানীত করা হয়। সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীকে অরেঞ্জ ক্যাপ এবং সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীকে পার্পেল ক্যাপ দেয়া হয়। চলুন দেখে নেই গত ১০ বছরে যারা সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করে জিতে নিয়েছেন অরেঞ্জ ক্যাপ:

২০০৮ : শন মার্স

আইপিলের প্রথম আসরে সর্বাধিক ৬১৬ রান করেছিলেন এই অজি ব্যাটসম্যান। ২য় স্থানে থাকা গাম্ভিরের থেকে তিন ইনিংস কম ১১ ইনিংসে এই রান করেন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে। ৬৮.৪৪ গড় ও ১৩৯.৬৮ স্ট্রাইক রেটে ছিল মার্সের। ১ শতক ও ৫ অর্ধশতক ছিল তার।

২০০৯ : ম্যাথিউ হেইডেন

২য় আইপিএল অর্থাৎ ২০০৯ সালে চেন্নাই সুপার কিংসের হলুদ জার্সিতে ১২ ইনিংসে ৫৭২ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের সম্মান ম্যাথিউ। ১৪৪.৮১ স্ট্রাইক রেটে ৫২.০০ গড়ে ব্যাটিং করে ৫টি অর্ধশতক করেছেন তিনি।

২০১০ : শচীন টেন্ডুলকার

ভারতীয় টুর্নামেন্ট আর ভারতীয় লেজেন্ডের নাম থাকলে ব্যাপার ভাল দেখায় না। ৩য় আসরে সকলের আশা মেটান ১৫ ইনিংসে ৬১৮ রান করে। ৪৭.৫৩ গড় ও ১৩২.৬১ ছিল লিটল মাস্টারের স্ট্রাইক রেট। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে ৫টি অর্ধশতক ছিল শচীনের।

২০১১ : ক্রিস গেইল

রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গলুরুর হয়ে চার-ছক্কার ঝড় তুলেছিলেন গেইল। ১২ ইনিংসে ৬০৮ রান করেছিলেন ছোট সংস্কারের এই লেজেন্ড। অবিশ্বাস্য ১৮৩.১৩ স্ট্রাইক রেটের বিপরিতে গড় ছিল ৬৭.৫৫। ২টি শতক ও ৩টি অর্ধশতক ছিল এই ছক্কা মেশিনের।

২০১২ : ক্রিস গেইল

গত বছর যেখানে শেষ করেছিল সেখান থেকেই শুরু করেছিলেন গেইল। এবার ১৪ ইনিংসে ৭৩৩ রান করেন এই ক্যারিবিয়ান। ১ শতক ও ৭ অর্ধশতক করেছেন ১৬০.৭৪ স্ট্রাইক রেটে। ব্যাঙ্গলুরুর এই ওপেনারের গড় ছিল ৬১.০৪।

২০১৩ : মাইকেল হাসি

চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ১৭ ইনিংসে ১২৯.৫০ স্ট্রাইক রেট ও ৫২.৩৫ গড়ে ৭৩৩ রান করেন এই অজি তারকা। শতক না থাকলেও অর্ধশতক ছিল ৬টি।

২০১৪ : রবিন উথাপ্পা

১৬ ইনিংসে ৬৬০ রান করেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। ৪৪.০০ গড়ে ও ১৩৭.৭৮ স্ট্রাইক রেটে এই রান আসে। কোন শতক না থাকলেও ৫টি অর্ধশতক করেছেন রবিন।

২০১৫ : ডেভিড ওয়ার্নার

আগের বছর ৪র্থ স্থানে ছিলেন, এবার শীর্ষে নিজের নাম নিয়ে আসেন এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান। দলকে নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি ১৪ ম্যাচে ৫৬২ রান করেন ওয়ার্নার। ১৫৬.৫৪ স্ট্রাইক রেট ও ৪৩.২৩ গড়ের পাশাপাশি ৭টি অর্ধশতক রয়েছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের অধিনায়কের।

২০১৬ : বিরাট কোহলি

১৬ ইনিংসে ৯৭৩ রান করেন কোহলি। যা আইপিএল ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। ১৫২.০৩ স্ট্রাইক রেটে অবিশ্বাস্য ৮১.০৮ গড় ছিল ভারতের বর্তমান অধিনায়কের। ৪টি শতক ও ৭টি অর্ধশতক ছিল এই রান মেশিনের। তবে শিরোপা জিততে না পারার আপসোসটা থেকেই যাবে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গলুরুর অধিনায়কের।

২০১৭ : ডেভিড ওয়ার্নার

বল টেম্পারিংয়ের শাস্তি স্বরুপ এবার খেলতে না পারলেও গতবার সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে ১৪ ম্যাচে সর্বাধিক ৬৪১ রান করেন এই অজি। ১ শতক ও ৪টি অর্ধশতক করেছেন ৫৮.২৭ গড়ে। স্ট্রাইক রেট ছিল ১৪১.৮১।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।