প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » ব্যাটিং বিপর্যয়ে মুম্বাই : নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ব্যাঙ্গলুরুর জয়!

ব্যাটিং বিপর্যয়ে মুম্বাই : নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ব্যাঙ্গলুরুর জয়!

প্রকাশ : ২ মে ২০১৮১২:৫৯:২৪ পূর্বাহ্ন

সাব্বির রায়হান অপি | বাংলা ইনিশিয়েটর

টেবিলের তলানির দুই দলের জন্যই ম্যাচটি ছিল ঘুরে দাড়ানোর। মুম্বাই ব্যার্থ, সফল ব্যাঙ্গলুরু। জয়টা ১৪ রানের হলেও, কাজটা খুব বেশি কঠিন ছিল না কোহলিদের জন্য। মুম্বাইয়ের ব্যাটসম্যানদের একের পর এক ভুল শটে আউট হওয়ায় ব্যাঙ্গলুরু সহজেই জয় পেয়ে যায়। বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মুস্তাফিজকে বেঞ্চে বসিয়েই মাঠে নেমেছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ানস।

ম্যাচ না জিতলেও টস জিতেছিলেন মুম্বাই অধিনায়ক রহিত শর্মা। নিয়েছেন বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্তটা খুব একটা ভুল ছিল না। দলীয় ৩৮ রানে ডি কককে রোহিতের ক্যাচ বানান ম্যাকলেনাগান। এরপর মানান ভোরা ও ব্রেন্ডেন ম্যাককালামের নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ে একটু একটু করে এগিয়ে তলে আরসিবি ইনিংস। স্লো উইকেটে ব্যাট করাটা একটু কঠিন হলেও তাদের ভালই সামলেছেন এই জুটি। নবম ৬১ রানের মাথায় ৩১ বলে ৪৫ করে ফেরেন ভোরা। এবারের আইপিএলের চমক তরুন মারকান্দের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পরেছিলেন তিনি। এর আগে ২টি চার ও ৪টি ছক্কা মেরেছেন এই ভারতীয়।

এরপর শুরু হয় কোহলি ম্যাককালামের অভিজ্ঞ জুটি। দুইজনের ৬০ রানের জুটি ভাঙ্গে ১৫তম ওভারে ম্যাককালাম রান আউট হলে। ২৫ বলে ৩৭ কান করেন এই কিউই ব্যাটসম্যান। এরপর কোহলির সাথে আক্রমনাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন মান্দিপ সিং। ঠিক তখনই মুম্বাইয়ের হয়ে মরন কামর দেন হার্দিক পান্ডিয়া। এক ওভারে তুলে নেন মান্দিপ, কোহলি ও ওয়াশিংটন সুন্দরের উইকেট। কোহলির ২৬ বলে ৩২ রানের ইনিংস শেষ হয় পোর্ডের দুর্দান্ত ক্যাচে। আরসিবির হয়ে শেষটা করেন ডি গ্রান্ডহোম। তার ১০ বলে ২৩ রানের ক্যামিওতে ৭ উইকেটে ১৬৭ রানের সংগ্রহ পায় রয়েল চ্যালেঞ্জার্স।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে আসা-যাওয়ার ঢল নামে মুম্বাই ব্যাটিং অর্ডারে। এভিন লুইসের বদলে কাইরন পোলার্ডকে দলে নিয়ে হয়তো ভুল করে ফেলেছে মুম্বাই। লুইস না থাকায় সুরিয়াকুমার যাদবের সাথে ওপেনিংয়ে নামেন ইসান কিসান। প্রথম ওভারেই ইসানকে শূন্য রানে ফেরান সাউদি। ৪র্থ ওভারে জোড়া আক্রমন করে উমেশ যাদব। প্রথম বলেই সুরিয়াকুমার যাদবকে এলবিডব্লিউ, ২য় ওভারে রোহিতকে ফেরান “গোল্ডেন ডাকে”। ডি কককের ক্যাচ হয়ে ফেরেন মুম্বাই অধিনায়ক। ডুমিনি-পোলার্ড জুটিও টেকেনি খুব বেশি সময়। দলীয় ৪৭ রানে সিরাজের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন পোলার্ড।

৮৪ রানের মাথায় রান আউট হবার আগে ২৯ বলে ২৩ রানের ধীর ইনিংস খেলেন ডুমিনি। এরপর দুই পান্ডিয়া ভাইয়েরা মিলে মুম্বাইয়ের আশা টুকু বাঁচিয়ে রাখেন। রান রেটের চাপে বড় শট খেলতে গিয়ে বড় ভাই ক্রুনাল পান্ডিয়া আউট হন ১৯ বলে ২৩ রান করে। মুম্বাইয়ের সব আশা শেষ হয়ে যায় পরের ওভারে হার্দিক পান্ডিয়া সাউদির বলে কোহলিকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে। ৪২ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন হার্দিক। শেষ সময়ে কাটিংয়ের ৬ বলে ১২ রান ব্যাবধান কমিয়েছে শুধু। ব্যাঙ্গলুরু জয় পায় ১৪ রানের। দুর্দান্ত ইকনোমিক বোলিয়ের জন্য সাউদি পান ম্যাচ সেরার পুরস্কার

কাল দিল্লির ফিরজ শাহ কোটলায় রাজস্থান রয়েলসের বিপক্ষে মাঠে নামবে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।