প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » গত ১০ বছরে যাদের মাথায় উঠেছে পার্পেল ক্যাপ!

গত ১০ বছরে যাদের মাথায় উঠেছে পার্পেল ক্যাপ!

প্রকাশ : ৪ মে ২০১৮২:৪৮:৩০ অপরাহ্ন

সাব্বির রায়হান অপি | বাংলা ইনিশিয়েটর

 

এটি আইপিলের ১১তম আসর চলছে। ইতিমধ্যেই সব দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যাচ্ছে। যা মূলত আইপিএলের বিশেষত্ব। শুধু দল নয়, প্রতি দলের খেলোয়ারদের মধ্যে এই সুস্থ লড়াইটাকে পৌছে দিতে প্রতি বছর দেয়া হয় অরেঞ্জ ও পার্পেল ক্যাপ। আসলে এটি এমন একটি সম্মাননা, যা টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারি ও সর্বাধিক উইকেট শিকারিকে দেয়া হয়।

এবারও এই দুই ক্যাপ নিয়ে লড়াইটা জমে উঠেছে। তবে এর আগের ১০ বছরের পার্পেল ক্যাপের মালিক কারা ছিলেন, তা জানতে ইচ্ছা হতেই পারে। পুরো টুর্নামেন্টে এই ক্যাপটি অনেকের মাথায় ঘুরে বেড়ালেও টুর্নামেন্ট শেষে তা একজনের মাথায়ই উঠে। আইপিএল ইতিহাসে এ পর্যন্ত মোট ৮ জনের মাথায় উঠেছে পার্পেল ক্যাপ। ভুবনেশ্বর কুমার ও ডুয়াইন ব্রাভো জিতেছেন দুইবার করে। চলুন দেখে নেই কোন বছর কে জিতেছিলেন পার্পেল ক্যাপ:

২০০৮ : সোহেল তানভির

অবাক হলেন? পাকিস্তানী খেলোয়ার কিভাবে? হ্যা, আইপিলের শুরুর দিকে পাকিস্তানের খেলোয়াররাও আইপিএলে খেলতেন। আর প্রথম আইপিএলে ১১ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারি হন সোহেল তানভির। সেবারের চ্যাম্পিয়ন দল রাজস্থান রয়েলসের হয়ে তার ইকোনমি ছিল ৬.৪৬।

২০০৯ : আরপি সিং

আইপিলের ২য় আসরে বিলুপ্ত দল ডেকেন চার্জার্সের হয়ে ১৬ ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়ে পার্পেল ক্যাপের মালিক হন আরপি সিং। সেবার দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে তার এই পারফর্মেন্স। তার ইকোনমি রেট ৬.৯৮।

২০১০ : প্রাজ্ঞান ঔঝা

১৬ ম্যাচে ২১ উইকেট নেন এই সাবেক ভারতীয় খেলোয়ার। দলটিও আইপিএলে সাবেক। ডেকেন চার্জার্সের হয়ে এই অসাধারন পারফর্মেন্স করেছিলেন ঔঝা। তার ইকোনমি ছিল ৭.২৯। টুর্নামেন্টে মোট রান খরচ করেছেন ৪২৯।

২০১১ : লাসিথ মালিঙ্গা

টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটসম্যানদের জন্য ভয়ের নাম ছিল লাসিথ মালিঙ্গা। ১৬ ম্যাচ খেলে ২৮ উইকেট নিয়েছেন এই লংকান কিংবদন্তি। ইকোনমি অসাধারন, ৫.৯৫। এবারের আইপিএলে যেই মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বোলিং পরামর্শক হয়ে আছেন, সেই দলের হয়েই এই পারফর্মেন্স করেছিলেন মালিঙ্গা।

২০১২ : মর্নি মরকেল

১৬ ম্যাচে ২৫ উইকেট নিয়েছেন এই পোর্টিয়া পেসার। দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের জার্সিতে সে বছর তার ইকোনমি ছিল ৭.১৯। পয়েন্ট তালিকায় সবার উপরে থাকা দলটির ভাগ্যে শিরোপা না উঠলেও মরকেলের পার্পেল ক্যাপই ডেভিলসদের প্রাপ্তি।

২০১৩ : ডুয়াইন ব্রাভো

১৮ ম্যাচে ৩২ উইকেট নিয়েছেন এই ক্যারিবিয়ান। যা একটি টুর্নামেন্টে সর্বাধিক উইকেট শিকারের রেকর্ড। চেন্নাই সুপার কিংসের হলুদ জার্সিতে করেছিলেন এই পারফর্মেন্স। বর্তমানে সেই দলের হয়েই খেলে যাচ্ছেন। সেবার তার ইকোনমি ছিল ৭.৯৫।

২০১৪ : মোহিত শর্মা

১৬ ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়েছিলেন এই ভারতীয় বোলার। একটু খরুচে ছিলেন, ইকোনমি ছিল ৮.৩৯। মোহিতও ২০১৪-তে খেলেছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে।

২০১৫ : ডুয়াইন ব্রাভো

টানা তৃতীয় বারের মত কোন চেন্নাইয়ের খেলোয়ারের হাতে উঠে পার্পেল ক্যাপ। ব্রাভোর জন্য যা ছিল ২য় বার। এবার ৮.১৪ ইকোনমিতে ১৭ ম্যাচে ২৬ উইকেট নেন এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার।

২০১৬ : ভুবনেশ্বর কুমার

১৭ ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন দল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের অরেঞ্জ জার্সিতে পার্পেল ক্যাপ পরেন এই পেসার। টুর্নামেন্ট জুরে অসাধারন বোলিং করেছেন। ইকোনমি রেট ৭.৪২।

২০১৭ : ভুবনেশ্বর কুমার

টানা দ্বিতীয়বার একই দলের হয় পার্পেল ক্যাপ জেতেন এই ভারতীয় পেসার। দল শিরোপা না পেলেও এবার অরেঞ্জ ও পার্পেল ক্যাপ দুটিই পেয়েছিন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। ১৪ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়েছিলেন কুমার। ইকোনমি ছিল ৭.০৫।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।