প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » প্লে-অফ নিশ্চিত করা হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে জিতলো চেন্নাই!

প্লে-অফ নিশ্চিত করা হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে জিতলো চেন্নাই!

প্রকাশ : ১৪ মে ২০১৮১২:২৩:৪০ পূর্বাহ্ন

সাব্বির রায়হান অপি | বাংলা ইনিশিয়েটর

টেবিলের শীর্ষে থাকা হায়দ্রাবাদ ইতিমধ্যেই প্লে-অফ নিশ্চিত করে ফেলেছে। অন্যদিকে দুইয়ে থাকা চেন্নাইয়ের প্লে-অফ নিশ্চিত করতে কমপক্ষে আরো দুটি ম্যাচ জিততে হতো। এমন সমিকরন নিয়ে মাঠে নেমে টুর্নামেন্টে অন্যতম ‘ফেবারিট’ দল হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে জয় তুলে নিলো চেন্নাই সুপার কিংস।

যেকোন রান ডিফেন্ড করতে পারে হায়দ্রাবাদ, তা অনেক আগেই প্রমান করেছে সাকিব-রাশিদরা। তাও ঝুকি নেন মাহেন্দ্র সিং ধোনি। টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান হায়দ্রাবাদকে। ধীর শুরু করেও প্রথমেই ধাক্কা খায় হায়দ্রাবাদ। চতুর্থ ওভারের তৃতীয় বল, দিপাক চাহারের অফ স্টাম্পে ফুল লেংথের বলটিকে কাভার পয়েন্টে রাইনার হাতে তুলে দেন অ্যালেক্স হেলস। পরের জুটিতে শিখর ধাওয়ান ও কেন উইলিয়ামসন ঝড় তোলেন। দুইজেনের ১২৩ রানের বিশাল জুটি থামে ১৬তম ওভারের শেষ বলে। ডুয়াইন ব্রাভোর অফ স্টাম্পের বাইরে করা গুড লেংথের স্লোয়ার বলটিকে হারভজনের হাতে তুলে দেন ১০ চার ও ৩ ছয়ে ৪৯ বলে ৭৯ রানের ঝড় তোলা ইনিংস খেলে।

পরের ওভারেই ৩৯ বলে ৫১ করে ফিরে যান অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। শারদুল ঠাকুরের বলে স্লেস করে বাউন্ডারি লাইনে ডুয়াইন ব্রাভোর হাতে ধরা পরেন এই কিউই ব্যাটসম্যান। অফ ফর্মে থাকা মানিশ পান্ডে এই দিনেও ব্যার্থ। ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে শারদুল ঠাকুরের অফ স্টাম্পের বাইরে থাকা বলে ডেভিড উইলির তালুবন্ধি হন। অন্যপ্রান্তে ১টি করে চার-ছক্কায় ১১ বলে ২১ করে অপরাজিত ছিলেন দিপাক হুডা। ১টি বাউন্ডারিতে ৬ বলে অপরাজিত ৮ রান করেন সাকিব আল হাসান। ১৮০ রানের লক্ষ পায় চেন্নাই।

বড় রান তাড়া করতে নেমে অসাধারন শুরু করে ওয়াটসন-রায়ডুর উদ্বোধনি জুটি। ১৩৪ রানের বিশাল জুটিতে ৩৫ বলে ৫৭ রান আসে ওয়াটসনের ব্যাট থেকে। জুটি ভাঙ্গে ১৪তম ওভারে। সাকিবের করা তৃতীয় বলটিকে অফ সাইডে ঢেলে দেন রায়ডু। ওয়াটসন রান নিতে বের হয়েছিলেন। আর তখনই কেন উইলিয়ামসনের দুর্দান্ত থ্রো। ৫টি চার ও ৩টি ছয়ের ওয়াটসন ইনিংসের সমাপ্তি হয়। সুরেশ রাইনা ফিরেছেন দ্রুতই। পরের ওভারের প্রথম বল, সন্দিপ শর্মার অফ স্টাম্পের বাইরে করা শর্ট বলটি অফ সাইডে স্লাশ করলে তা ডাইভ দিয়ে তালুবন্ধি করেন কেন উইলিয়ামসন।

এরপর বাকি পথটা ধোনি-রায়ডু ঝড়ে সহজেই পার হয়ে যায় চেন্নাই। ১৬তম ওভারে সাকিবের বলে ধোনির ক্যাচটি নিতে পারেননি মানিশ পান্ডে। জীবন পেয়ে আরো জীবন্ত হয়ে ওঠেন ধোনি। ঐ ওভারে ১টি চার-ছক্কায় ১৪ রান আসে। ১৪ বলে ২০ করেন ধোনি। অন্যপ্রান্তে শেষ সময়ে শতক তুলে নেন রায়ডু। ৬২ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংসে ছিল ৭টি করে চার-ছক্কা। ৮ উইকেটের সহজ জয় পায় চেন্নাই। প্লে-অফ নিশ্চত করা এখন যেন সময়ের ব্যাপার ধোনিদের জন্য। শতকীয় ইনিংস দিয়ে ম্যাচ সেরা হন আম্বাতি রায়ডু।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।