প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » মুম্বাইকে হারিয়ে প্লে-অফ খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখলো রাজস্থান!

মুম্বাইকে হারিয়ে প্লে-অফ খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখলো রাজস্থান!

প্রকাশ : ১৪ মে ২০১৮১:১৮:২০ পূর্বাহ্ন

সাব্বির রায়হান অপি | বাংলা ইনিশিয়েটর

দুই দলের জন্যই ম্যাচটির আরেক নাম ‘ডু অর ডাই’। যেই দল জিতবে সেই দল এগিয়ে যাবে প্লে-অফ খেলার লড়াইয়ে। আর যে দল হারবে তাদের জন্য প্লে-অফ খেলার কঠিন পথটা হয়ে যাবে আরো কঠিন। এমন মহাগুরুত্বপূর্ন ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রাজস্থান অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানে।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা চমৎকারভাবে করে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। সুরিয়াকুমার যাদব ও এভিন লুইসের ৫৭ রানের জুটিতে চালকের আসনেই ছিল মুম্বাই। বিপত্তি আসে ১১তম ওভারে জোফরা আর্চারের জোড়া আক্রমনে। ওভারের চতুর্থ বল, মাঝের স্টাম্পে শর্ট বলটি ভালো করেই ব্যাটে লাগিয়েছিলেন সুরিয়াকুমার, কিন্তু ডিপে থাকা জয়দেব উনাদকাট তা তালুবন্ধি করে নেন। ৭ চারে ৩১ বলে ৩৮ রান করে সুরিয়াকুমার ফিরলে পরের বলেই গোল্ডেন ডাক ফেরেন অধিনায়ক রহিত শর্মা। এবারও জোফরা আর্চারের বলে ক্যাচ নেন জয়দেব উনাদকাট।

১৪তম ওভারে লুইস ফেরেন ধবল কুলকার্নিক অফ স্টাম্পের বাইরের বলে আপিশ শট খেলে স্যামসনের তালুবন্ধি হয়ে। তবে এরপরেও কুলকার্নির ঐ ওভার থেকে ১৭ রান আসে। ৪টি করে চার-ছক্কায় ৪২ বলে ৬০ রান করেন এভিন লুইস। পরের ওভারেই বেন স্টোকসের শর্ট বলে সাঞ্জু স্যামসনকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইশান কিশান। ১২ রানে ইসান ফিরলে আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হয় মুম্বাইয়ের ব্যাটসম্যানদের। জয়দেব উনাদকাটের শর্ট বলে গৌতমকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ১৯তম ওভারে ১৯ রান তোলেন বেন কাটিং ও হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে বেন স্টোকসের শর্ট বলে সাঞ্জুর তালুবন্ধি হয়ে ফেরেন ২১ বলে ৩ চার ও ছক্কায় ৩৬ রান করা হর্দিক। অন্যপ্রান্তে কাটিংয়ের ৭ বলে ১০ রানে ১৬৮ রানের সংগ্রহ পায় মুম্বাই ইন্ডিয়ানস।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ফিরে যান ডার্সি শর্ট। প্রথম ওভারের পঞ্চম বল, অফ স্টাম্পের বাইরে গুড লেংথের বল করেন বুমরাহ। সেই বলে ক্রস করতে গিয়ে কট বিহাইন্ড হন এই অজি। এরপর দুর্দান্ত জুটি গড়েন বাটলার ও আজিঙ্কা রাহানে। দুইজনের ৯৫ রানের বিশাল জুটি রাজস্থানকে জয়ের বন্দরের অনেক কাছে নিয়ে যায়। জুটিটি ভাঙ্গে ১৪তম ওভারে। অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল লেংথে করা ওভারের প্রথম বলটি বাউন্ডারির বাইরে মারতে চেয়েছিলেন রাহানে। কিন্তু পর্যাপ্ত শক্তির প্রয়োগ না থাকায় তা সুরিয়াকুমারের হাতে ধরা পরে। ৩৬ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন রাহানে।

এবার চার-ছক্কার ঝড় তোলেন বাটলার ও স্যামসন। ২টি করে চার-ছক্কায় ১৪ বলে ২৬ রান করে স্যামসন ফিরলেও বাটলার ছিলেন অপরাজিত। ১৮তম ওভারের পঞ্চম বলটি স্লোয়ার করে স্যামসনের উইকেট ভাঙ্গেন হার্দিক পান্ডিয়া। সেই ১৮ রান তুলে জয়ের বন্দরে পৌছে যায় রাজস্থান রয়েলস। ৯ চার ও ৫ ছয়ে ৫৩ বলে ৯৪ রান করেন জস বাটলার। অনুমিতভাবেই ম্যাচ সেরা হন তিনি। ৭ উইকেটের দুর্দান্ত জয়ে প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখলো রাজস্থান রয়েলস।

আগামিকাল বাংলাদেশ সময় ৮টা ৩০ মিনিটে ইন্দোরে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গলুরুর বিপক্ষে মাঠে নামবে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।