শিরোনাম
প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » মাহমুদউল্লাহকে আক্রমনে না আনার কারন জানালেন সাকিব!

মাহমুদউল্লাহকে আক্রমনে না আনার কারন জানালেন সাকিব!

প্রকাশ : ৪ জুন ২০১৮১১:২৮:০৬ অপরাহ্ন

সাব্বির রায়হান অপি | বাংলা ইনিশিয়েটর

মাহমুদউল্লাহ-১ ওভার,১ রান,২ উইকেট।
মোসাদ্দেক-১ ওভার, ৩ রান, কোন উইকেট পাননি।
বাংলাদেশের হয়ে নিয়মিত বোলিং না করলেও আফগানিস্থানের আক্রমনাত্মক ব্যাটসম্যানদের সামনে এরচেয়ে ভালো বোলিং কি আর হতে পারে? অন্যদিকে টাইগার পেসারদের পারফর্মেন্স:-

রাজু- ৩ ওভার,৪০ রান, ২ উইকেট
রাহি- ৩ ওভার, ৩৪ রান, ১ উইকেট
রুবেল- ৪ ওভার, ৩২ রান, ২ উইকেট

পেসারদের শেষ ৪ ওভারেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ১৪ ওভারে ৯১ রান করা আফগান ইনিংস শেষ হয়ে ২৬৭ রানে। পেসারদের সাথে চার-ছক্কা ছাড়া কথাই বলেননি আফগান ব্যাটসম্যানরা। যেখানে আফগান স্পিনারদের ঘাতক বোলিংয়ের কাছেই পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে সাকিব-মুশফিকরা। সেখানে কেনোই বা স্পিনারদের অপর ভরসা রাখতে পারলেন না টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

সাকিব নিজেও দুর্দান্ত বোলিং করেছেন, শেষ দিকে নাজমুল ইসলামও ভালো ভাবেই আফগানদের বেধে রাখতে পেরেছেন। তাহলে রিয়াদ-মোসাদ্দেকদের দিয়ে আরো কয়েকটা ওভার বের করে নিলে কি ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতে পারতো? এমন প্রশ্ন অনেক টাইগার ভক্তদের মুখেই শোনা যাচ্ছে। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরনীতেও উপস্থাপক এমন প্রশ্নই করেছিলেন। সাকিবের উত্তরটা ছিল সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট, “তারা ভালো বোলিং করেছেন। কিন্তু অনেক সময় পার্টটাইম বোলার দিয়ে শেষেরদিকে ওভার করানোটা ঝুকিপূর্ন। এমনও হতে পারে এক ওভারে ৩টি ছয় খেয়েও বসলো। যেখানে নিয়মিত বোলাররা অপেক্ষ করছে, সেখানে পার্টটাইমারদের ওপর ভরসা কেনো করবো।

সর্বশেষ নিদাহাস ট্রফিতে সৌমর ওভারের কথা মনে আছে নিশ্চই? শেষ ওভারে পার্টটাইমার দিয়ে বোলিং করানোয় বিতর্কের মুখে পরেছিলেন সাকিব। সেকারনেই এবার ঝুকি নিতে চাননি সাকিব। তবে মাহমুদউল্লাহকে এর আগেও আমরা বিপিএলে দেখেছি শেষে ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে অবিশ্বাস্য ম্যাচ বের করে নিয়ে আসতে। তবে প্রেস কনফারেন্সে লিটন দাসও সমর্থন করেছেন অধিনায়ককেই, “এটা পুরোপুরিই অধিনায়কের সিদ্ধান্ত। হয়তো অধিনায়ক মনে করেছিলেন সে সময় স্পিনারদের চেয়ে পেসার ভালো করবে। আসলে এই ব্যাপারে বলাটা কঠিন। মাহমুদউল্লাহ ভাইয়ের পর অন্য কেউ এসে যদি একটা কি দুইটা উইকেট নিয়ে নিত, হয়তো পুরো খেলার দৃশ্যই পরিবর্তন হয়ে যেত। অন্য কেউ সফল হয়নি তাই এখন এ রকম প্রশ্ন উঠছে।”

অন্যদিকে শেষ ওভারে বাজে বোলিং থেকে বেড়িয়ে আসতেই পারছে না রুবেল-রাহিরা। নিদাহাস ট্রফির ফাইনালেও রুবেলের ১৯তম ওভারে বাজে বোলিংয়েই ভারত জয় তুলে নিয়েছিল। পুরো ম্যাচে ভালো করা রুবেলের হাতেই বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙ্গেছিল। কাল দেহরাদুনে শুধু রুবেল নয়, রাহি-রাজুরাও বাজে বোলিং করেন। মুস্তাফিজ না থাকায় তাই শেষের ওভারগুলোয় ভরসা করার মতো কাউকেই পাচ্ছেন না সাকিব।

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।