প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » ডেনমার্ককে হারিয়ে কোয়াটার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া

ডেনমার্ককে হারিয়ে কোয়াটার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া

প্রকাশ : ২ জুলাই ২০১৮৩:১৪:২৮ অপরাহ্ন

খাতুনে জান্নাত | বাংলা ইনিশিয়েটর


আজ ৩-২ গোলের ব্যবধানে ডেনমার্কের বিপক্ষে জয়ের মাধ্যমেই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখলো ক্রোয়েশিয়া। সেই সঙ্গে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিলো ড্যানিশরা।

গোলরক্ষকদের দেয়াল হয়ে দাঁড়ানোর এই ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছেন ইভান রাকিতিচ। স্নায়ুক্ষয়ী এই টাইব্রেকারে প্রথম শটটা নেন ডেনিশ তারকা ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। তাঁর শট ক্রোয়াট গোলরক্ষক দানিয়েল সুবাসিচের হাতে লেগে গোলপোস্ট কাঁপিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ক্রোয়েশিয়ার হয়ে প্রথম মিলান বাদেলির নেওয়া প্রথম শটটা অবশ্য রুখে দেন ক্যাসপার স্মেইকেল। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ডেনিশদের টাইব্রেকার-পরীক্ষা পর্যন্ত তুলে এনেছিলেন স্মেইকেল। তবে স্মেইকেলের বীরত্ব মুছে এই ম্যাচটা নিজের করে নিয়েছেন সুবাসিচ।

এরপর ডেনিশ অধিনায়ক সিমোন ক্যার লক্ষ্যভেদ করেন। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ডেনমার্ক। ক্রামারিচ এসে লক্ষ্যভেদ করে ক্রোয়েশিয়াকে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফেরান। ক্রন-দেলি ডেনমার্ককে আবারও এগিয়ে দেন ২-১ ব্যবধানে। মডরিচ এসে এবার আর কোনো ভুল করেননি। লক্ষ্যভেদ করে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন ক্রোয়েশিয়াকে।

শোনের শট রুখে দেন ক্রোয়াট গোলরক্ষক সুবাসিচ। পরের দফায় ক্রোয়াট জোসিপ পিভারিচের শটও ঠেকিয়ে দেন স্মেইকেল। ২-২ ব্যবধানে ম্যাচ তখনও অমীমাংসিত। এই অবস্থায় নিকোলাই হোর্গেনসনকেও রুখে দেন সুবাচিস। অর্থাৎ পরের শটে ক্রোয়েশিয়া লক্ষ্যভেদ করলেই তাঁরা উঠে যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে। রাকিতিচ এসে ঠান্ডা মাথায় সেই কাজটা সেরে ক্রোয়েশিয়াকে শেষ পর্যন্ত তুলেছেন শেষ আটে।

অতিরিক্ত সময়ের শুরুতে দারুণ দুটি আক্রমণ করেছে ডেনিশরা। কিন্তু গোল হয়নি। এই অর্ধের শেষ দিকে ডেনিশ রক্ষণভাগে বেশ চাপে রেখেছিলেন মডরিচ। মাঝমাঠ থেকে বল টেনে বেশ কয়েকবার ঢুকে পড়েছেন প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে। শটও নিয়েছেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার কিংবা স্মেইকেল রুখে দিয়েছেন মডরিচকে।

১১৪তম মিনিটে টাইব্রেকার-পরীক্ষা এড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন মডরিচ। দুর্দান্ত পাসটা এই ক্রোয়াট তারকাই দিয়েছিলেন। আন্তে রেবিচ সেই থ্রু ধরে একা পেয়ে গিয়েছিলেন গোলরক্ষক ক্যাসপার স্মেইকেলকে। কিন্তু পেছন থেকে ফাউলের শিকার হন রেবিচ। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে মডরিচের শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পরে রুখে দেন স্মেইকেল।

টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জয়ের মাধ্যমে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের পর এই প্রথম সেরা আটে জায়গা করে নিলো ক্রোয়েশিয়া। এই কৃতিত্বটা গোলরক্ষককে দিতেই হয়!

বাংলা ইনিশিয়েটরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।